1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
হবিগঞ্জে বাড়ছে আত্মহত্যার প্রবণতা – দৈনিক দেশেরকথা
শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০১:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শ্রমিকের মর্যাদা উপেক্ষা করে কোনো সমাজ টেকসই হতে পারে না: জামায়াত আমির শ্রমিকদের মজুরি এখনও অত্যন্ত নিম্নমানের: আখতার হোসেন নারায়ণগঞ্জে ৩০ কেজি গাঁজাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ফ্লোরিডায় নিহত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী বৃষ্টির মরদেহ উদ্ধার বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে কিছু মহল: প্রধানমন্ত্রী জামালপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে মহান মে দিবস পালিত । ১১ মাস পর মুক্তি পেলেন সিদ্দিকুর রহমান, কারাগারে বদলে গেছে জীবনধারা শ্রমজীবী মানুষের প্রাণ উচ্ছ্বাসে কিশোরগঞ্জে বর্ণিল মহান মে দিবস উদযাপন  ধর্মপাশায়, ছুটি ছাড়াই বিদ্যালয়ে ৬দিন অনুপস্থিতি, তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থার আশ্বাস জাতীয় হাইস্কুল প্রগ্রামিং প্রতিযোগিতা নিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের জরুরি নির্দেশনা

হবিগঞ্জে বাড়ছে আত্মহত্যার প্রবণতা

লিটন পাঠান
  • প্রকাশ রবিবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৫

হবিগঞ্জ জেলায় আত্মহত্যার ঘটনা যেন এক অদৃশ্য মহামারির মতো বাড়ছে। কয়েকদিনের ব্যবধানে জেলার বিভিন্ন স্থানে একাধিক কিশোর-কিশোরী ও যুবকের লাশ উদ্ধার হওয়ায় জনমনে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কারও মৃত্যু ঘটছে অভিমানে, কারও আবার দারিদ্র্য ও হতাশায়। মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, এ ধরণের প্রবণতা সামাজিক সংকটের ইঙ্গিত দিচ্ছে। গত (৪-অক্টোবর) লাখাই উপজেলায় মাত্র ১৩ বছরের কিশোরী তাকিয়া খাতুন পিতার সাথে অভিমানে ইঁদুর মারার ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যা করে। পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিলেও বাঁচানো যায়নি। বয়সে যে মেয়েটি এখনও স্কুলের মাঠে খেলার কথা, সামান্য অভিমানে তার জীবনের ইতি টানা একটি ভয়াবহ সামাজিক বার্তা দিচ্ছে। নবীগঞ্জে টানা দুদিনে দুটি মরদেহ উদ্ধার হয়। প্রথমে ভাস্কর ভট্টাচার্য নামে এক যুবককে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরদিনই রাহেল মিয়া নামের আরেক যুবকের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানীয়রা জানান, হতাশা ও বেকারত্বই এসব ঘটনার পেছনে বড় কারণ রাহেল।

দীর্ঘদিন ধরে কাজের অভাবে হতাশাগ্রস্থ ছিলেন বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে। এর আগে মাধবপুরে ঘটে আরও করুণ যোগমায়া দাস নামের এক (মা) অভাব অনটনের চাপে নিজের প্রতিবন্ধী ছেলে পলাশকে নিয়ে একসঙ্গে বিষপান করেন। একটি পরিবার একই সঙ্গে নিঃশেষ হয়ে যাওয়ার এমন ঘটনা পুরো এলাকা স্তস্তিত করে দেয়। বিশ্লেষকরা মনে করেন, এসব মৃত্যুর পেছনে মূলত সামাজিক চাপ, পারিবারিক দ্বন্দ্ব, হতাশা ও মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে উদাসীনতাই কাজ করছে। হবিগঞ্জ জেলায় আত্মহত্যার হার বেড়ে যাওয়ার পেছনে নির্দিষ্ট গবেষণা না হলেও ঘটনাগুলোর প্রকৃতি বলছে, মানুষ মানসিকভাবে ক্রমেই ভেঙে পড়ছে। বিশেষ করে কিশোর কিশোরীদের আত্মহত্যা পরিবারগুলোকে ভাবাচ্ছে। মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, শিশু কিশোরা খুব দ্রুত আবেগে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে। তাদের হতাশা, অভিমান কিংবা মানসিক অস্থিরতাকে পরিবার অবহেলা করলে তার মাশুল হয় ভয়াবহ।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park