বাংলাদেশ সরকার সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের পুশইন কার্যক্রম বন্ধে এখন পর্যন্ত ১২ থেকে ১৩টি কূটনৈতিক চিঠি দিয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। সোমবার (৮ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, অবৈধভাবে মানুষকে ঠেলে পাঠানোর মতো ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সীমান্তে এমন পরিস্থিতি মোকাবিলায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কঠোর অবস্থান নিয়েছে এবং শক্তভাবে প্রতিহত করছে। একই সঙ্গে বিষয়টি কূটনৈতিকভাবে সমাধানের জন্য ভারত সরকারকে একাধিকবার আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হয়েছে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, যেসব ব্যক্তি অবৈধভাবে অন্য দেশে অবস্থান করছেন, তাদের ফেরত পাঠানোর জন্য একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া রয়েছে। সেই প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই দুই দেশকে কাজ করতে হবে বলে বাংলাদেশ বারবার অবস্থান জানিয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, পুশইনের এই ইস্যু বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
এদিকে সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দেশের ২৬টি জেলার সীমান্ত এলাকায় বিপুল সংখ্যক বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। তারা চার শিফটে ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করছেন। অনেক এলাকায় স্থানীয় জনগণও বিজিবিকে সহায়তা করছে।
সীমান্ত পরিস্থিতি ও পুশইন ইস্যু নিয়ে বর্তমানে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে ৫৭তম মহাপরিচালক পর্যায়ের সম্মেলন চলমান রয়েছে। এই বৈঠকে অবৈধ অনুপ্রবেশ, সীমান্ত হত্যা এবং সামগ্রিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।