1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ০৭:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত বেড়ে উদ্বেগ প্রধানমন্ত্রীর লাল টেলিফোনের তার চুরি করে ভাঙারিতে বিক্রি, গ্রেপ্তার ২ লক্ষ্মীপুরে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ৬ শিশুর মৃত্যুর কারণ জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী কটিয়াদীতে হত্যা মামলার আসামিরা জামিন পেয়েই হত্যা চেষ্টা, গ্রেপ্তারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন প্রান্তিক গ্রাহকদের স্বস্তি, আগের দামেই বিদ্যুৎ বিল দেওয়ার সুযোগ ফিরতে পারে সুধারামে মেকানিক দোকানেই চলছিল মাদক কারবার, গ্রেপ্তার-১ ঈদের রাতে আতশবাজির লোভ দেখিয়ে ৫ম শ্রেণীর ছাত্রকে বলাৎকারের চেষ্টা হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে মন্তব্যের জেরে মমতার বিরুদ্ধে এফআইআর আশুলিয়ায় ‘নিরাপদ সড়ক চাই’র লিফলেট বিতরণ

জুলাই গণহত্যাকারীদের ছাড় দেওয়া হবে না: চিফ প্রসিকিউটরের স্পষ্ট বার্তা

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশ সোমবার, ১১ আগস্ট, ২০২৫

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম এক উচ্চ পর্যায়ের প্রেস ব্রিফিংয়ে জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণহত্যা ও ছাত্র-জনতার আন্দোলনে দায়ীদের ছাড় দেয়া হবে না। তিনি বলেন, নিহতদের পরিবার ও স্বজনদের সাক্ষ্যের ওপর ভিত্তি করে দেড় হাজারের বেশি প্রাণহানির প্রতিকার নিশ্চিত করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের।

সোমবার (১১ আগস্ট) দুপুর সোয়া বারোটায় ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তাজুল ইসলাম বলেন, “যারা ভেবেছিল বাংলাদেশে গণহত্যা চালিয়ে পার পেতে পারবে বা প্রতিবিপ্লব ঘটিয়ে বিচার প্রক্রিয়া বন্ধ করতে পারবে, তাদের জন্য স্পষ্ট বার্তা—যারা অপরাধ করেছেন, তাদের কেউ ছাড় পাবে না। বিচার কার্যক্রম কোনোভাবেই বন্ধ হবে না।”

তিনি আরও বলেন, “যেসব তরুণ রক্ত দিয়েছেন দেশের জন্য, তাদের স্বজনরা বেঁচে আছেন। তাদের সাক্ষ্যের মাধ্যমে দেড় হাজারেরও বেশি মানুষের জীবন যাওয়া পরিবারের প্রতি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।”

সেইদিন একই অনুষ্ঠানে জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের সময় রাজধানীর চানখারপুলে ছয়জন নিহতের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়। নিহত শিক্ষার্থী আনাসের বাবা পলাশ ও মা সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট চানখারপুল এলাকায় শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে গুলি চালায় পুলিশ, যার ফলে বহু হতাহত হওয়ার পাশাপাশি শাহরিয়ার খান আনাস, শেখ মাহদী হাসান জুনায়েদ, মো. ইয়াকুব, মো. রাকিব হাওলাদার, মো. ইসমামুল হক ও মানিক মিয়া শাহরিক নিহত হন।

মামলায় বর্তমানে চার আসামি কারাগারে রয়েছেন, তারা হলেন শাহবাগ থানার সাবেক ওসি (অপারেশন) মো. আরশাদ হোসেন, কনস্টেবল মো. সুজন মিয়া, মো. ইমাজ হোসেন ইমন ও মো. নাসিরুল ইসলাম।

১৪ জুলাই মামলায় চার পলাতকসহ মোট আট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। এরপর ১০ ও ১১ আগস্ট মামলা সংক্রান্ত সূচনা বক্তব্য এবং সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করা হয়।

এছাড়া মামলার চার আসামিকে হাজির করার জন্য ট্রাইব্যুনাল ৩ জুন পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন। গত ২৫ মে মামলায় আট পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয় এবং চার পলাতক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম স্পষ্ট জানিয়েছেন, এই বিচার প্রক্রিয়া সকল বাধা পেরিয়ে চলবে এবং দোষীদের কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park