প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে বলেছেন যে, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল-কে ফেরত এনে তার মাধ্যমেই জুলাই মাসের অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার শুরু হবে। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, জুলাইয়ের ঘটনাবলির आरोपপ্রাপ্তরা — যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কামাল — একদিন বাংলাদেশি আদালতের সামনে দাঁড়াবে। তিনি বিশ্বাস ব্যক্ত করেন যে, শুধু অর্থ বা রাজনৈতিক ক্ষমতা দিয়ে যাবে না, দায়ের দণ্ডভার ও বিচার থেকে কেউ পলায়ন করতে পারবে না।
স্ট্যাটাসে শফিকুল আলম আরও উল্লেখ করেছেন, যদিও কিছু শক্তিশালী সমর্থক রয়েছে, তবুও তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন যে আসাদুজ্জামান খান কামাল, যিনি “ঢাকার কসাই” হিসেবে পরিচিত, খুব শিগগিরই দেশে প্রত্যর্পিত হবেন। তিনি বলেন, কামাল বা অন্য পক্ষ যতোই প্রচুর অর্থ ব্যয় করুক, তারা চিরকাল দায় এড়াতে পারবে না। যদি জাতি হিসেবে আমরা দৃঢ় ও মনোনিবেশ রাখি, তাহলে আগস্ট-জুলাইয়ের গণহত্যা, গুম এবং অন্যান্য মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিচার নিশ্চিত করতে সক্ষম হবে। এবং এই বিচার প্রক্রিয়া শুরু হবে কামালকে দিয়ে, এরপর একে একে বাকি অভিযুক্তদের দায়ের দণ্ডভার ও গণোদ্ভুক্তদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে।
এই মন্তব্য নতুন করে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, কারণ সম্প্রতি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ (ICT-1) অনুমোদন করেছে যে, আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে জুলাই ২০২৪ সালের গণহত্যা মামলায়। RTV Online+2The Daily Ittefaq+2 এই প্রেক্ষাপটে প্রেস সচিবের বক্তব্যকে এখন নীতি, বিচারিক প্রক্রিয়া এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা — সব দিক থেকেই গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।