1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
হবিগঞ্জে বাড়ছে আত্মহত্যার প্রবণতা – দৈনিক দেশেরকথা
শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নয়া সরকার হাদি হত্যার বিচার না করলে তাদের জীবন জাহান্নাম বানিয়ে দেয়ার হুঁশিয়ারি টেকনাফ সীমান্তে মিয়ানমারের গুলিতে আহত শিশু হুজাইফার ২৭ দিন পর মৃত্যু রাজনীতিকে যারা পেশা হিসেবে নিয়েছে, তারাই দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও মামলাবাজি করে আজ সিলেট বিভাগের তিন জেলায় জামায়াত আমিরের সমাবেশ বিক্ষোভে কাউকে টার্গেট করে মারধর করেনি পুলিশ: ডিএমপির তালেবুর রহমান জামায়াত ক্ষমতায় এলে ‘রগ কেটে দেবে’ ভীতি ছড়িয়ে গ্রামে গ্রামে অপপ্রচার ভরিতে সর্বোচ্চ ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়ল সোনার দাম আজ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর্দা উঠছে, প্রথম দিনেই তিন হাইভোল্টেজ ম্যাচ জামায়াতের সঙ্গে ঐক্য সরকার নয়, এককভাবেই সরকার গঠনে আশাবাদী বিএনপি: তারেক রহমান আমরা ন্যায় ইনসাফের বাংলাদেশ গড়তে চাই : শফিকুর রহমান

হবিগঞ্জে বাড়ছে আত্মহত্যার প্রবণতা

লিটন পাঠান
  • প্রকাশ রবিবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৫
হবিগঞ্জে বাড়ছে আত্মহত্যার প্রবণতা

হবিগঞ্জ জেলায় আত্মহত্যার ঘটনা যেন এক অদৃশ্য মহামারির মতো বাড়ছে। কয়েকদিনের ব্যবধানে জেলার বিভিন্ন স্থানে একাধিক কিশোর-কিশোরী ও যুবকের লাশ উদ্ধার হওয়ায় জনমনে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কারও মৃত্যু ঘটছে অভিমানে, কারও আবার দারিদ্র্য ও হতাশায়। মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, এ ধরণের প্রবণতা সামাজিক সংকটের ইঙ্গিত দিচ্ছে। গত (৪-অক্টোবর) লাখাই উপজেলায় মাত্র ১৩ বছরের কিশোরী তাকিয়া খাতুন পিতার সাথে অভিমানে ইঁদুর মারার ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যা করে। পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিলেও বাঁচানো যায়নি। বয়সে যে মেয়েটি এখনও স্কুলের মাঠে খেলার কথা, সামান্য অভিমানে তার জীবনের ইতি টানা একটি ভয়াবহ সামাজিক বার্তা দিচ্ছে। নবীগঞ্জে টানা দুদিনে দুটি মরদেহ উদ্ধার হয়। প্রথমে ভাস্কর ভট্টাচার্য নামে এক যুবককে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরদিনই রাহেল মিয়া নামের আরেক যুবকের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানীয়রা জানান, হতাশা ও বেকারত্বই এসব ঘটনার পেছনে বড় কারণ রাহেল।

দীর্ঘদিন ধরে কাজের অভাবে হতাশাগ্রস্থ ছিলেন বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে। এর আগে মাধবপুরে ঘটে আরও করুণ যোগমায়া দাস নামের এক (মা) অভাব অনটনের চাপে নিজের প্রতিবন্ধী ছেলে পলাশকে নিয়ে একসঙ্গে বিষপান করেন। একটি পরিবার একই সঙ্গে নিঃশেষ হয়ে যাওয়ার এমন ঘটনা পুরো এলাকা স্তস্তিত করে দেয়। বিশ্লেষকরা মনে করেন, এসব মৃত্যুর পেছনে মূলত সামাজিক চাপ, পারিবারিক দ্বন্দ্ব, হতাশা ও মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে উদাসীনতাই কাজ করছে। হবিগঞ্জ জেলায় আত্মহত্যার হার বেড়ে যাওয়ার পেছনে নির্দিষ্ট গবেষণা না হলেও ঘটনাগুলোর প্রকৃতি বলছে, মানুষ মানসিকভাবে ক্রমেই ভেঙে পড়ছে। বিশেষ করে কিশোর কিশোরীদের আত্মহত্যা পরিবারগুলোকে ভাবাচ্ছে। মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, শিশু কিশোরা খুব দ্রুত আবেগে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে। তাদের হতাশা, অভিমান কিংবা মানসিক অস্থিরতাকে পরিবার অবহেলা করলে তার মাশুল হয় ভয়াবহ।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park