শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সরকার সব ধর্মের মানুষের সার্বিক কল্যাণ, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করতে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। তিনি জানান, ভবিষ্যতেও এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশকে সব ধর্ম ও মতের মানুষের জন্য একটি নিরাপদ আবাসভূমি হিসেবে গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর।
বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এই উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীকে তিনি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বুদ্ধ পূর্ণিমা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্য অত্যন্ত পবিত্র ও তাৎপর্যপূর্ণ দিন। কারণ এই পূর্ণিমা তিথিতেই গৌতম বুদ্ধের জন্ম, বোধিলাভ এবং মহাপরিনির্বাণ সংঘটিত হয়েছে বলে বিশ্বাস করা হয়। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বৌদ্ধ সম্প্রদায় যথাযোগ্য মর্যাদায় দিনটি পালন করে থাকে।
বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এখানে সব ধর্মের মানুষ যুগ যুগ ধরে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সৌহার্দ্য এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব উদযাপন করে আসছেন।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মহামতি গৌতম বুদ্ধ আজীবন মানুষের কল্যাণ এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় অহিংসা, সাম্য ও মৈত্রীর বাণী প্রচার করেছেন। তার শিক্ষা শান্তি, সহনশীলতা, মৈত্রী, করুণা ও অহিংসার চিরন্তন বার্তা বহন করে। বর্তমান বিশ্বে যখন সংঘাত, বিদ্বেষ এবং অসহিষ্ণুতা নানা সংকট সৃষ্টি করছে, তখন গৌতম বুদ্ধের সহমর্মিতা ও শান্তির বাণী মানবতার জন্য গভীর প্রেরণা হয়ে উঠতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীসহ সব ধর্মের মানুষের কল্যাণ, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার কার্যক্রম গ্রহণ করেছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে। বুদ্ধ পূর্ণিমার শিক্ষা ও সম্প্রীতির বার্তা মানবতার কল্যাণ বয়ে আনুক, এই প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।