ডেস্ক রিপোর্ট : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন বাতিলের হাইকোর্টের রায় খারিজ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। এর ফলে নির্বাচন কমিশনের দেওয়া দলটির নিবন্ধন আবারও বৈধতা পেল।
রবিবার (১ জুন) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে সাত সদস্যের আপিল বেঞ্চ এই রায় দেন।
জামায়াতের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী এহসান এ সিদ্দিক ও শিশির মনির। নির্বাচন কমিশনের পক্ষে ছিলেন তৌহিদুল ইসলাম। এর আগে, ২০০৯ সালে জামায়াতের নিবন্ধনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন বিভিন্ন ইসলামী দলের নেতারা। দীর্ঘ শুনানি শেষে ২০১৩ সালের ১ আগস্ট হাইকোর্ট জামায়াতের নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করেন। পরে জামায়াত আপিল করে, যা খারিজ হয় ২০২৩ সালে।
তবে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পাল্টে যাওয়ার পর, সরকার পতনের প্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের আগস্টে দলটির নিষেধাজ্ঞা বাতিলের উদ্যোগ নেয় জামায়াত। এ অবস্থায় ১ জুন আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় বাতিল করে দলটির নিবন্ধন বহাল রাখে। জামায়াতপন্থী আইনজীবীরা বলছেন, এ রায়ের ফলে দলটির নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন পুনরায় কার্যকর হলো।
সংক্ষিপ্ত পয়েন্ট আকারে:
রায় ঘোষণা: ১ জুন, আপিল বিভাগ।
হাইকোর্ট রায়: ২০১৩ সালে জামায়াতের নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা।
নিবন্ধন: প্রথমে দেওয়া হয় ২০০৮ সালের ৪ নভেম্বর।
আবেদনকারী: তরিকত ফেডারেশন, জাকের পার্টিসহ ২৫ জন।
পটভূমি: রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সরকারের পতনের প্রেক্ষিতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের উদ্যোগ।