1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
সিরাজগঞ্জের যমুনা সেতু থেকে সরিয়ে ফেলা হচ্ছে রেললাইন – দৈনিক দেশেরকথা
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ইরান যুদ্ধবিরতি ভাঙছে, তবু শান্তি চুক্তি হবে : ট্রাম্প শ্রীপুরে রাস্তার মাঝে খুঁটি যেন মরণফাঁদ: গাড়িচাপায় প্রাণ গেল স্কুলছাত্রের  নতুন রাজনৈতিক দল ‘বাংলাদেশ আজাদ পার্টি’র আত্মপ্রকাশ মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি পড়ে কয়েক রাত ঘুমাতে পারিনি : মাহা মির্জা বাসে ৬৪ শতাংশ, লঞ্চে দেড় গুণ ভাড়া বৃদ্ধির প্রস্তাব জ্বালানির দামে আগুন, পাম্পে নেই অকটেন-পেট্রোল। বগুড়া সফরের পথে সিরাজগঞ্জে বাড়ছে নিরাপত্তা তৎপরতা কুড়িগ্রামে র‌্যাবের অভিযানে ৭৬ কেজি গাঁজা জব্দসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার গণপরিবহনের নতুন ভাড়া নির্ধারণে আজ সন্ধ্যায় বিআরটিএর বৈঠক স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত লড়াইয়ের হুঁশিয়ারি ইরানের সেনাপ্রধানের

সিরাজগঞ্জের যমুনা সেতু থেকে সরিয়ে ফেলা হচ্ছে রেললাইন

জুবায়ের হোসাইন
  • প্রকাশ শুক্রবার, ২৭ জুন, ২০২৫

 সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : যমুনা সেতু থেকে রেলসেতুর রেললাইন খুলে ফেলা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) দুপুরে যমুনা সেতুর টাঙ্গাইলের এলেঙ্গার দিক থেকে রেললাইনের নাট-বল্টু খুলে ফেলার কাজ শুরু করে সেতু বিভাগ কর্তৃপক্ষ। 

এর আগে গত ১৮ মার্চ থেকে যমুনা সেতুর ৩ শো মিটার বিপরীতে নির্মাণ করা যমুনা রেলসেতুতে আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হয়। এ কারণে যমুনা সেতুতে সড়ক সেতুর পাশাপাশি স্থাপিত রেলসেতু রেল চলাচলে আর প্রয়োজন নেই। 

এ ব্যাপারে গতকাল যমুনা রেলসেতু প্রকল্প পরিচালক আল ফাত্তাহ মো: মাসুদুর রহমান বলেন, সেতু বিভাগ রেললাইন খুলে ফেলার কাজ শুরু করেছে। রেললাইন খুলে ফেলার কাজ শেষ হলে সমুদয় মালামাল রেল কর্তৃপক্ষের কাছে বুঝিয়ে দেয়া হবে। রেললাইন সরিয়ে ফেলার পর ওই স্থানটি কি করা হবে, জানতে চাইলে প্রকল্প পরিচালক বলেন, সেতু কর্তৃপক্ষ সড়ক সেতু বর্ধিত করার জন্যই রেললাইন সরিয়ে ফেলছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ১৯৯৮ সালের ২৩ জুন যমুনা নদীতে টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জের মধ্যে ৪.৮ কিলোমিটার দীর্ঘ যমুনা সেতু নির্মাণ কাজ শেষ হয়। ওই দিনই আনুষ্ঠানিকভাবে যানবাহন চলাচল শুরু হয়। পরবর্তীতে যমুনা সেতুতে রেল সংযোগের দাবিতে তৎকালীন যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীন রেল বিভাগ আন্দোলন করে। এর প্রেক্ষিতে সরকার তাৎক্ষনিকভাবে যমুনা সেতুতে রেললাইন স্থাপনের ঘোষণা দেয়। বিদ্যমান সড়ক সেতুর উত্তরপাশ দিয়ে লোহার এঙ্গেল দিয়ে তৈরি করা হয় রেলসেতু। 

২০০৪ সালের ১৫ আগস্ট যমুনা সেতুতে আনুষ্ঠানিকভাবে রেল চলাচল শুরু হয়। দ্রুত গতিতে ট্রেন চলাচলের কারণে ২০০৬ সালে সেতুতে ফাটল ধরে। পরে ট্রেন চলাচলের গতিসীমা করা হয় ঘণ্টায় ২০ কিলোমিটার। এতে একটি ট্রেনকে সেতু পার হতে ২২ মিনিট সময় লাগে। এ কারণে সেতুর দুই প্রান্তে ট্রেনের জট বেঁধে যায়। এই সমস্যার কথা বিবেচনা করে ২০২০ সালে যমুনা সেতুর ৩শ মিটার উজানে সমান্তরাল পৃথক রেলসেতু নির্মাণের পরিকল্পনা নেয় সরকার। 

জাইকার অর্থায়নে প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ হয় ডুয়েলগেজ ডাবল লাইনের যমুনা রেলসেতু। গত ১৮ মার্চ থেকে রেলসেতুতে ট্রেন চলাচল শুরু হলে পুরাতন যমুনা সেতুর রেললাইন সরিয়ে ফেলার পরিকল্পনা নেয় সেতু বিভাগ। গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে রেললাইন সরিয়ে ফেলার কাজ শুরু হয়।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park