1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
সংকটে বেসরকারি ব্যাংক, ভোগান্তিতে গ্রাহক – দৈনিক দেশেরকথা
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সরকারের বিদেশি ঋণের স্থিতি ৭৮ হাজার ৬৭ মিলিয়ন ডলার: অর্থমন্ত্রী ভেড়ামারায় ২৪ হাজার শিশুকে হামের টিকা দেবে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ অনিশ্চিত যুদ্ধবিরতির মধ্যেই এক দিনের ব্যবধানে কমল বিশ্ববাজারে তেলের দাম  শার্শার বসতপুরে মিথ্যা মামলার ভয় দেখিয়ে হয়রানির অভিযোগ, আতঙ্কে এলাকাবাসী দেড় মাসের সন্তানসহ যুব মহিলা লীগ নেত্রী শিল্পী বেগম কারাগারে, জামিন নামঞ্জুর নবীনগরে নির্মানাধীন ভবনের কাজে পুলিশের বাঁধা দেয়ার অভিযোগ, উদিগ্ন ভুক্তভোগী লাকসামে পড়াশোনার জন্য মায়ের বকাঝকা অভিমানে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা! ইরানের উচিত জনগণের স্বার্থে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব গ্রহণ করা: জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রায় এগোচ্ছে: শামা ওবায়েদ বুধবার ও বৃহস্পতিবার ভার্চুয়ালি চলবে সুপ্রিম কোর্ট, কার্যকর ২২ এপ্রিল থেকে

সংকটে বেসরকারি ব্যাংক, ভোগান্তিতে গ্রাহক

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশ রবিবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৫

দেশের বেশ কয়েকটি বেসরকারি ব্যাংক চরম আর্থিক সংকটে পড়ে গ্রাহকদের জমা অর্থ ফেরত দিতে পারছে না। খেলাপি ঋণের বোঝা, বড় অঙ্কের লোকসান এবং দীর্ঘদিনের অনিয়মের কারণে ব্যাংকগুলোর কার্যক্রম অচল হয়ে পড়েছে। ফলে প্রতিদিনই ভোগান্তিতে পড়ছেন লাখো গ্রাহক।

বর্তমানে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংক মার্জারের আলোচনায় রয়েছে। তবে তারল্য সংকট এতটাই তীব্র যে, এসব ব্যাংকের অনেক গ্রাহক নিজের সঞ্চিত টাকা তুলতে পারছেন না। কেউ কেউ জরুরি প্রয়োজনে দিন দিন ঘুরেও হাতে পাচ্ছেন না সামান্য অর্থ।

সরজমিনে দেখা গেছে, এক্সিম ব্যাংকের নিউ ইস্কাটন শাখা থেকে দেড় লাখ টাকা তুলতে গিয়ে এক সপ্তাহেও এক হাজার টাকাও পাননি বেসরকারি চাকরিজীবী আবদুল কাদের। সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক ব্যবসায়ী মাহামুদুল হক বলেন, “৫০ হাজার টাকার চেক দিলে হাতে ধরিয়ে দেয়া হয় মাত্র পাঁচ হাজার টাকা। এতে ব্যবসা বন্ধ হওয়ার উপক্রম, কর্মীদের বেতনও দিতে পারছি না।”

ন্যাশনাল ব্যাংকের এক গ্রাহক অভিযোগ করেন, “৫০ হাজার টাকা তুলতে পাঁচদিন ধরে ঘুরছি।” অন্য এক গ্রাহক বলেন, “পাঁচ হাজার টাকাও পাচ্ছি না।” ইউনিয়ন ব্যাংকের মতিঝিল শাখায় নজরুল নামের এক গ্রাহক জানান, “মাত্র পাঁচ লাখ টাকা তুলতে পারছি না। ১ লাখ টাকার চেক দিলেও তা ক্যাশ হয়নি।”

অবস্থার উন্নতির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ইতিমধ্যে কয়েকটি ব্যাংককে সাড়ে ২২ হাজার কোটি টাকা ছাপিয়ে এবং প্রায় ২৮ হাজার কোটি টাকা ধার দিয়ে সহায়তা করেছে। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, গ্রাহকের দায় পরিশোধের পরিবর্তে এ টাকা অন্য খাতে ব্যয় করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনিয়ম, দুর্বল ব্যবস্থাপনা ও মার্জার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা গ্রাহকের আস্থা ফেরাতে ব্যর্থ হচ্ছে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান দাবি করেন, নিয়ম মেনেই সহযোগিতা দেয়া হয়েছে এবং গ্রাহকের দায় পরিশোধ ছাড়া এই অর্থ অন্যত্র ব্যয় করার সুযোগ নেই।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ব্যাংক একীভূত হওয়ার প্রক্রিয়া চলমান এবং এতে আতঙ্কের কিছু নেই। তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, আমানত নিরাপদ আছে, প্রয়োজনে সরকার গ্রাহকের দায় নেবে।

তবু বাস্তব চিত্র ভিন্ন। প্রতিদিনই ব্যাংকে গিয়ে হাহাকার করছেন গ্রাহকরা। তাদের আশঙ্কা, দীর্ঘসূত্রতা চলতে থাকলে আমানতের নিরাপত্তা নিয়েই প্রশ্ন দেখা দিতে পারে।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park