সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের জামিয়া রাবিয়া রাহমানিয়া নূরে জান্নাত মহিলা মাদ্রাসার জন্য কেনা জমি নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে জটিলতা। মাদ্রাসার মুহতামিম হাফিজ মুফতি এহসানুল হক সিদ্দিকীর দাবি, তিনি সেলবরষ ক্লিনিকের পাশ থেকে শামসুল হুদা বাবুর কাছ থেকে ২৯ শতাংশ জায়গা ক্রয় করেন। কিন্তু চার বছর পেরিয়ে গেলেও বিক্রেতা তাকে যথাযথভাবে জায়গা বুঝিয়ে দেননি।
অভিযোগ রয়েছে, শামসুল হুদা বাবু (বাড়ি খালের পার, দীর্ঘদিন ধরে টিকমত বা জায়গার দখল বুঝিয়ে না দেওয়ায় বাধ্য হয়ে মাদ্রাসার ৬০ জন ছাত্রীসহ মুফতি এহসানুল হক সিদ্দিকী নিজেই জমির দখল নেন।
মুফতি এহসানুল হক সিদ্দিকী এ বিষয়ে বলেন,
আমার কেনা জায়গা আমাকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। তাই আমি আমার নিজের জায়গার দখল নিয়েছি। আমি প্রশাসনের কাছে বিচার চাই—সঠিক তদন্তের মাধ্যমে যেন আমার কেনা ২৯ শতাংশ জায়গা আমাকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। আমি সুবিচার চাই।”
স্থানীয়দের মতে, জমি হস্তান্তর–সংক্রান্ত কাগজপত্র ও দখল নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি দীর্ঘদিন ধরে চলছিল। ঘটনাটি এলাকায় আলোচনার ঝড় তুলেছে।
এ ঘটনায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও তদন্তের দাবি জানিয়েছেন মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।