নেপালে ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে পড়া বাংলাদেশ ফুটবল দল দেশে ফেরার পরও মানসিক আঘাত থেকে বের হতে পারেনি। কাঠমান্ডুর হোটেলে বন্দি থাকা অবস্থায় সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চোখের সামনে দেখা, এমনকি আন্দোলনকারীদের হামলার আতঙ্কে ট্রমায় চলে গেছেন জামাল ভূঁইয়া-ফয়সাল ফাহিমরা।
বিমানবাহিনীর বিশেষ বিমানে ঢাকায় ফেরার পর স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেও ফুটবলারদের মানসিক পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন। বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল জানিয়েছেন, দলের জন্য মনোবিদ ও মানসিক কোচিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে। প্রয়োজনে সবার মানসিক অবস্থা যাচাই করে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে। একই সঙ্গে আর্মড ফোর্সেসের মেডিকেল টিমও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
নেপালে অবস্থানকালে দলকে রক্ষা করতে বিকল্প পরিকল্পনাও হাতে রেখেছিল ফেডারেশন। টিম হোটেলের আশপাশে আগুন লাগার মতো ঘটনা ঘটলেও নিরাপত্তার জন্য দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিকল্প অবস্থান ঠিক রাখা ছিল।
ফুটবলার, কোচিং স্টাফ ও কর্মকর্তাসহ মোট ৩৭ জনের সঙ্গে ঢাকায় ফিরেছেন কাঠমান্ডুতে থাকা ১৭ জন সাংবাদিকও। তাবিথ আউয়াল জানান, “ফুটবল পরিবার মানে শুধু খেলোয়াড় নয়, মিডিয়াকর্মীরাও এর অংশ। তাই রেসকিউ মিশনে সবাইকে একসঙ্গেই আনা হয়েছে।”
কাঠমান্ডু এয়ারপোর্ট সচল হওয়ার পর ২০ ঘণ্টার মধ্যেই পুরো দলকে নিরাপদে ঢাকায় ফেরানো সম্ভব হয়েছে। এজন্য প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, পররাষ্ট্র ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ দূতাবাস, বিমানবাহিনী ও আর্মড ফোর্সেসকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন বাফুফে সভাপতি।