নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, আনন্দ-উৎসাহ ও সৌহার্দ- সম্প্রীতির বন্ধনে উদ্যাপিত হচ্ছে ছয় দিনব্যাপী সনাতন ধর্মালম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসব।এ শারদীয় দুর্গোৎসবের মহাঅষ্টমীতে উপজেলার ১২৭টি মণ্ডবে মণ্ডবে ভক্ত দর্শনার্থীদের ঢল নেমেছে।
পূজামণ্ডপগুলো সাজানো হয়েছে নানা বর্ণিল সাজে।সকাল থেকেই দেবী দুর্গার দর্শন,পূজা-অর্চনা ও অঞ্জলি দিতে ওইসব পূজামণ্ডপে ভিড় করেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। মাইকের বাজনা,ঢাকের বাদ্য,কাঁসর-ঘণ্টার ধ্বনি, শঙ্খধ্বনি আর উলুধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠেছে পূজামণ্ডপগুলো।নতুন পোশাকে নারী-পুরুষ,শিশু-কিশোরসহ নানা বয়সী ভক্তদের পদচারণায় উৎসবমুখর হয়ে ওঠেছে চারপাশ।অনেকে পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের সঙ্গে মণ্ডপে মণ্ডপে ঘুরে দেবী দুর্গার প্রতিমা দর্শন করছেন।
পূজামণ্ডপগুলোতে ভক্তদের উপস্থিতিতে উৎসবের আমেজে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠেছে।পাশাপাশি অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের উপস্থিতিও শারদীয় দুর্গোৎসবের সম্প্রীতির আবহকে আরও বেশি প্রাণবন্ত করে তুলেছে।মহাঅষ্টমীর আনন্দঘন মুহূর্তে ভক্তদের প্রত্যাশা,ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বন্ধন আরও সুদৃঢ় হবে এবং সবার জীবনে বয়ে আসবে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি।
অপর দিকে ভক্তদের বিশ্বাস,মা দুর্গার আশীর্বাদে পৃথিবী থেকে দূর হবে অশুভ শক্তি, প্রতিষ্ঠিত হবে শান্তি ও কল্যাণ।শারদীয় দুর্গোৎসব আনন্দঘন ও নির্বিঘ্নে উদযাপনের লক্ষে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে নজীর বিহীন নিরাপত্তা।এর মধ্যে দিয়ে পূজামণ্ডপগুলোতে ভক্তদের নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে মন্ডপে মন্ডপে সিসি ক্যামেরা স্থাপন,মন্দির কমিটির স্বেচ্ছাসেবকসহ নানা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর তৎপরতা চোখে পড়ার মতো।জানা গেছে,গত শুক্রবার ‘মহাসপ্তমী’ বা মহাষষ্ঠীতে দেবী দুর্গার বোধনের মধ্য দিয়ে ছয় দিনব্যাপী এই উৎসব শুরু হয়।ৃও