কুমিল্লার মুরাদনগরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে রাজিব আহমেদ (৩৮) নামে এক ব্যক্তিকে ঢাকার উত্তরা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে মুরাদনগর থানা পুলিশ। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই তার কঠোর বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকার উত্তরা এলাকার নিজ বাসা থেকে রাজিব আহমেদকে আটক করা হয়। পরে রাতেই তাকে মুরাদনগর থানায় নিয়ে আসা হয়। শুক্রবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া রাজিব আহমেদ মুরাদনগর উপজেলার নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের পদুয়া গ্রামের মৃত জারু মিয়ার ছেলে। তিনি নিজেকে একটি ফেসবুকভিত্তিক অনলাইন প্ল্যাটফর্মের ‘সাংবাদিক’ হিসেবে পরিচয় দিতেন।
অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা, মনগড়া ও কুরুচিপূর্ণ তথ্য প্রচার করে আসছিলেন। এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সম্মানিত ব্যক্তিদের নিয়েও আপত্তিকর মন্তব্য করতেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ, রাজিব বিভিন্ন সময় ফোন করে টাকা দাবি করতেন। দাবি অনুযায়ী টাকা না দিলে ফেসবুকে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে সম্মানহানির চেষ্টা করতেন বলেও অভিযোগ ওঠে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাজিব আহমেদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
এ বিষয়ে মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, ঢাকার উত্তরা এলাকা থেকে রাজিব আহমেদকে আটক করা হয়েছে। পরে তাকে মুরাদনগর থানায় এনে শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।