1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
শহীদ তাজউদ্দীন স্মৃতি পার্কের নাম পরিবর্তন সিদ্ধান্ত, সোহেল তাজের আবেগঘন প্রতিক্রিয়া – দৈনিক দেশেরকথা
শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শহীদ তাজউদ্দীন স্মৃতি পার্কের নাম পরিবর্তন সিদ্ধান্ত, সোহেল তাজের আবেগঘন প্রতিক্রিয়া রুয়েট থেকে টেসলা: দক্ষতা ও অধ্যবসায়ে বিশ্বমঞ্চে কামরুজ্জামান লিটন ইসলামপুরে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খানকে সংবর্ধনা মানিকগঞ্জে ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল ৩ কিশোরের রাজ্যপালের অনুমোদন পেল টিভিকে, তামিলনাড়ুর পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী বিজয়, শপথ আগামীকাল থালাপতি বিজয়কে নিঃশর্ত সমর্থন দিল সিপিআই, সিপিআই(এম) ও ভিসিকে রাজধানীর কদমতলীতে সাদ্দাম মার্কেটে আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস মেলান্দহে মাদক ব্যবসায়ী আটক  বাগআঁচড়ায় মার্সেল ফুটবল টুর্নামেন্টের জমকালো ফাইনাল অনুষ্ঠিত পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী

শহীদ তাজউদ্দীন স্মৃতি পার্কের নাম পরিবর্তন সিদ্ধান্ত, সোহেল তাজের আবেগঘন প্রতিক্রিয়া

দেশেরকথা ডেস্ক:
  • প্রকাশ শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬

গুলশানে অবস্থিত ‘শহীদ তাজউদ্দীন স্মৃতি পার্ক’-এর নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিটি করপোরেশন। বিষয়টি সামনে আসতেই গভীর আবেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী শহীদ তাজউদ্দীন আহমদের ছেলে সোহেল তাজ। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করে বলেন, পার্কের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তেজগাঁওয়ে অবস্থিত ‘শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণি’ নামের সড়কটির নামও যেন পরিবর্তন করা হয়, সরকারকে সেই অনুরোধ জানাবেন তিনি।

শুক্রবার রাতে দেওয়া পোস্টে সোহেল তাজ উল্লেখ করেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ সফলভাবে পরিচালনা করে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ বলেছিলেন, ‘মুছে যাক আমার নাম, বেঁচে থাকুক বাংলাদেশ’। এই কথাটি স্মরণ করে তিনি ইঙ্গিত দেন, ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী ব্যক্তিত্বদের স্মৃতি সংরক্ষণ না করে তাদের নাম মুছে ফেলার প্রবণতা জাতির জন্য দুঃখজনক বার্তা বহন করে।

পোস্টের শেষাংশে সোহেল তাজ অতীতের একটি ঘটনার কথা তুলে ধরেন। তিনি লেখেন, ১৯৭৮-৭৯ সালে ধানমন্ডি সাতমসজিদ রোড সম্প্রসারণের সময় রাস্তার দুই পাশে থাকা প্রায় সব গাছ কেটে ফেলা হলেও একটি আম গাছ রক্ষা করা হয়েছিল। ওই গাছটি শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ নিজ হাতে লাগিয়েছিলেন। তার প্রতি সম্মান দেখিয়ে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গাছটি রক্ষা করেছিলেন বলে উল্লেখ করেন সোহেল তাজ। এরপর তিনি প্রশ্ন রাখেন, সেই সম্মান ও স্মৃতির জায়গা আজ কোথায় দাঁড়িয়ে?

সিটি করপোরেশনের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে এই পোস্ট ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও জাতির গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরছেন।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park