জাতীয় ঐক্যকে দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিভাজনই জাতিকে দুর্বল করে দেয়। তিনি বলেন, বিভিন্ন ইস্যুতে মতপার্থক্য, বিতর্ক কিংবা রাজনৈতিক বিরোধ থাকতেই পারে, তবে তা যেন কখনো শত্রুতায় রূপ না নেয়, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) স্বাধীনতা পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্তদের আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, তাদের অবদান বাংলাদেশকে আরও সমৃদ্ধ করবে এবং আগামী প্রজন্মের জন্য প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। একইসঙ্গে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, পুরস্কারপ্রাপ্তদের অর্জন আন্তর্জাতিক পরিসরেও সম্মান ও স্বীকৃতি লাভ করবে।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে দেশের স্বাধীনতার ইতিহাস স্মরণ করে বলেন, অসংখ্য প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশ স্বাধীনতার ৫৫ বছর অতিক্রম করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, নানা অর্জনের পাশাপাশি এখনও কিছু চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে এবং স্বার্থবিরোধী চক্র সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছে।
সরকারপ্রধান বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। পাশাপাশি শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক ও কর্মমুখী করতে ইতোমধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
নারী নিরাপত্তার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী। তাদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা না গেলে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়।
বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি পেলেও সরকার জনগণের স্বার্থে এখনও জ্বালানির দাম বাড়ায়নি। ভর্তুকির মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি। এসময় তিনি অযথা ব্যয় পরিহার করে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানান।