1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ০৮:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
৫ কার্গো এলএনজি আমদানির অনুমোদন লাকসামে সিনেমা কায়দায় অপহৃত শিক্ষার্থীকে দুইদিনেও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ মেসির অট্টহাসি কি প্রতিপক্ষের জন্য বার্তা? আত্মবিশ্বাসে উজ্জ্বল আর্জেন্টাইন অধিনায়ক বৃদ্ধা মায়ের মৃত্যুর ঘটনায় যুগ্ম সচিব আনিসুর রহমানকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার সিরাজগঞ্জে দুই মিষ্টির দোকানকে ৩৮ হাজার টাকা জরিমানা তৃতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন আমির খান, পাত্রী গৌরি স্প্র্যাট? জনগণের আস্থা পূরণে কাজ করছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ: স্পিকার মাদারগঞ্জে সাপের কামুড়ে শিশুর মৃত্যু কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা: বিমান চলাচল বন্ধ , নিহত ১ আহত কয়েকজন  মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করলে আবারও গণ-অভ্যুত্থান হবে: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

অপরিশোধিত তেল সংকটে দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি বন্ধ

দেশেরকথা ডেস্ক:
  • প্রকাশ মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬

অপরিশোধিত তেলের সংকটের কারণে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি লিমিটেড (ইআরএল) বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকেলে কারখানাটিতে সর্বশেষ পরিশোধন কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। এরপর পর্যাপ্ত ক্রুড তেল না থাকায় কার্যক্রম বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

তবে জ্বালানি বিভাগ দাবি করেছে, দেশে বর্তমানে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে এবং শোধনাগার বন্ধ হলেও সরবরাহব্যবস্থায় আপাতত কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না। জনগণকে আশ্বস্ত করে তারা জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং বাজারে সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা নেই।

ইআরএল সূত্র জানায়, কক্সবাজারের মহেশখালীর সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিংয়ের (এসপিএম) পাইপলাইনে জমে থাকা প্রায় ৫ হাজার টন অপরিশোধিত তেল এবং চারটি ট্যাংকের ডেড স্টক বা তলানিতে জমে থাকা মজুদ তেল ব্যবহার করেই সাম্প্রতিক সময়ে পরিশোধন কার্যক্রম চালানো হচ্ছিল। কিন্তু সেই তেলও প্রায় শেষ হয়ে যাওয়ায় শেষ পর্যন্ত উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কর্মকর্তারা জানান, ইআরএল সাধারণত দৈনিক গড়ে ৪ হাজার ৫০০ টন ক্রুড তেল পরিশোধন করে থাকে। তবে সংকট শুরু হওয়ার পর গত মাস থেকেই দৈনিক পরিশোধন কমিয়ে ৩ হাজার ৫০০ টনে নামিয়ে আনা হয়। এরপরও মজুদ দ্রুত ফুরিয়ে যেতে থাকে। সর্বশেষ গত ৪ মার্চ পর্যন্ত ব্যবহারযোগ্য অপরিশোধিত তেলের মজুদ ২ হাজার টনের নিচে নেমে আসে, যা কারখানা চালু রাখার জন্য পর্যাপ্ত ছিল না।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্র জানায়, দেশে প্রতিবছর ৬৫ থেকে ৬৮ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানি করা হয়। এর মধ্যে ডিজেল এবং অপরিশোধিত তেলের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। বছরে প্রায় ১৫ লাখ টন অপরিশোধিত তেল মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়, যা পরিশোধন করা হয় ইস্টার্ন রিফাইনারিতে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে গত প্রায় দুই মাস ধরে অপরিশোধিত তেল আমদানি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আগামী মে মাসের প্রথম সপ্তাহে পরবর্তী চালান দেশে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। সে পর্যন্ত শোধনাগার পুনরায় চালু করতে অপেক্ষা করতে হবে ইআরএল কর্তৃপক্ষকে।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park