রমজানের শুরুতে সবজি ও মাছের বাজারে যে উত্থান দেখা গিয়েছিল, তা ধীরে ধীরে কমলেও ক্রেতাদের উপকার এখনও পুরোপুরি পৌঁছায়নি। রোজার শুরুতে শোরগোল ফেলা ৪০ টাকার হালির লেবু এখন হালিতে ৮০ টাকায় মিলছে। একইভাবে ১০০ টাকার কাঁচামরিচের দাম রোজার শুরুতে দ্বিগুণ হয়ে ২০০ টাকা ছিল, বর্তমানে তা ১৪০ টাকায় নেমেছে। পেঁয়াজ, বেগুনসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যেরও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে।
সবজির মধ্যে আলুর দাম তুলনামূলকভাবে কম থাকলেও সজনে, করলা, ঢেঁড়স ও বরবটির দাম এখনও আকাশছোঁয়া। ক্রেতাদের মতে, দাম কমলেও বাজারে কিনতে এখনও বেশি টাকা খরচ হচ্ছে। বিক্রেতাদের মতে, সরবরাহ বৃদ্ধির কারণে দাম ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। পাশাপাশি, রোজার প্রথম দিকের চড়া বাজারে ক্রেতারা পণ্য কেনা কমিয়ে দেয়, যার প্রভাব পড়েছে বাজারে।
মাছের বাজারে শুক্রবার ছুটির দিনে ক্রেতার সংখ্যা ছিল খুব কম। বিশেষ করে বড় মাছের বাজারে বেচাকেনা নেই বললেই চলে। ফলে কিছুটা দাম কমলেও বড় মাছের কেজি দাম এখনো ৩৫০–৪০০ টাকার মধ্যে থাকছে। ছোট সাইজের রুই, কাতল ও মহাশোলের দাম ৩০০ টাকার নিচে নেমেছে। ইলিশ মাছের ক্ষেত্রে স্বাভাবিকের চেয়ে দাম বেশি, ১.৫ কেজি হলে অস্বাভাবিকভাবে দাম রাখা হচ্ছে। চিংড়ির দামও রমজানের কারণে বেড়েছে।
এদিকে, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণে অভিযান বৃদ্ধি পেয়েছে। ক্রেতা ও বিক্রেতারা জানান, রমজান মাসে বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারি পদক্ষেপ কিছুটা কার্যকর হলেও দাম এখনও বাড়তি রয়েছে।