1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
৩৫ বছর ধরে নিজ হাতের  তৈরি চানাচুর বিক্রি করেন সুরুজ মিয়া – দৈনিক দেশেরকথা
সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আত্মপ্রকাশ করলো জাতীয়তাবাদী শিক্ষক পরিষদ জাবিতে ইনফিউশনের উদ্যোগে ‘আইলো রে বৈশাখ ১৪৩৩’ বর্ণিল বৈশাখ উদযাপন কার্টুন শেয়ারে গ্রেপ্তারের অভিযোগ হাসনাতের, ব্যাখ্যা দিলেন চিফ হুইপ শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন “দ্য আনবিটেন ৮২” জেডি ভ্যান্স ছাড়াই ইসলামাবাদে যাচ্ছে মার্কিন প্রতিনিধিদল, নেতৃত্বে বদল বেইলি রোড ট্র্যাজেডি: ১৩ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হাদি হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ফের পেছাল, ৫ মে নতুন দিন বেগমগঞ্জে নাল জমিতে মাটি কাটার অভিযোগে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা ইরান যুদ্ধবিরতি ভাঙছে, তবু শান্তি চুক্তি হবে : ট্রাম্প শ্রীপুরে রাস্তার মাঝে খুঁটি যেন মরণফাঁদ: গাড়িচাপায় প্রাণ গেল স্কুলছাত্রের 

৩৫ বছর ধরে নিজ হাতের  তৈরি চানাচুর বিক্রি করেন সুরুজ মিয়া

আসলাম উদ্দিন আহম্মেদ,
  • প্রকাশ সোমবার, ১২ মে, ২০২৫

কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার সরদার পাড়া গ্রামের ছমির উদ্দিনের বড় ছেলে  সুরুজ মিয়া(৬২)। আগে কৃষি কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। কিন্তু শারীরিক সমস্যার কারণে পেশা বদল করে চানাচুর তৈরি ও বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন তিনি। তিনি নিজ হাতে ৩৫ বছর ধরে চানাচুর তৈরি করেন। আর এ কাজে সহযোগিতা করেন তার স্ত্রী রুমিনা বেগম।

তিনি জানান, এ্যাংকর ডালের ব্যাসন দিয়ে চানাচুর বানিয়ে সয়াবিন তেলে ভেজে পরিমিত পরিমাণ ঝাঁল, মসলা, বাদাম, ময়দার চটপটি মিলিয়ে মজাদার মুখরোচক চানাচুর তৈরি করেন। তার এ মুখরোচক চানাচুরের ক্রেতা স্কুল কলেজগামী ছাত্র- ছাত্রী, এমপি, অফিসার সহ বিভিন্ন বয়সের মহিলা ও পুরুষ লোকজন। মাথায় হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালার মত লাল টুপি পড়া সুরুজ মিয়াকে উলিপুর উপজেলা শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে দেখতে পাবেন। 

আগে পার্শ্ববর্তী কুড়িগ্রাম,  চিলমারী, দূর্গাপুর, নাজিমখানসহ বিভিন্ন এলাকার  আগে হাতে তৈরি এ মুখরোচক চানাচুর বিক্রি করতেন। এখন চাহিদা বাড়ায় শুধু উলিপুরে বিক্রি করেন। প্রতিদিন গড়ে ২০ কেজি করে চানাচুর তৈরি করে বিক্রি করেন। খরচ বাদে ৫’শ থেকে ৭’শ টাকা আয় হয়। এই আয়ে কোন রকমে সংসার চলে তার কোন সঞ্চয় নেই। তবে তিনি সহায়তা পেলে ছোট আকারের একটি কারখানা গড়ে তুলবেন বলে এ প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন। এতে এলাকার কিছু অভাবী লোকও কাজ পাবে বলে জানান। সুরুজ মিয়ার এক ছেলে ও এক মেয়ে। মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন ছেলে টেইলারিং এর কাজ করে। কথা প্রসঙ্গে তিনি জানান, নিজের প্রচেষ্টায় তিনি চানাচুর তৈরি করা শিখেছেন। তিনি এখন সাবলম্বী।

আমরাও তার সুখী জীবন কামনা করছি।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park