1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ০৭:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত বেড়ে উদ্বেগ প্রধানমন্ত্রীর লাল টেলিফোনের তার চুরি করে ভাঙারিতে বিক্রি, গ্রেপ্তার ২ লক্ষ্মীপুরে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ৬ শিশুর মৃত্যুর কারণ জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী কটিয়াদীতে হত্যা মামলার আসামিরা জামিন পেয়েই হত্যা চেষ্টা, গ্রেপ্তারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন প্রান্তিক গ্রাহকদের স্বস্তি, আগের দামেই বিদ্যুৎ বিল দেওয়ার সুযোগ ফিরতে পারে সুধারামে মেকানিক দোকানেই চলছিল মাদক কারবার, গ্রেপ্তার-১ ঈদের রাতে আতশবাজির লোভ দেখিয়ে ৫ম শ্রেণীর ছাত্রকে বলাৎকারের চেষ্টা হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে মন্তব্যের জেরে মমতার বিরুদ্ধে এফআইআর আশুলিয়ায় ‘নিরাপদ সড়ক চাই’র লিফলেট বিতরণ

৩৫ বছর ধরে নিজ হাতের  তৈরি চানাচুর বিক্রি করেন সুরুজ মিয়া

আসলাম উদ্দিন আহম্মেদ,
  • প্রকাশ সোমবার, ১২ মে, ২০২৫

কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার সরদার পাড়া গ্রামের ছমির উদ্দিনের বড় ছেলে  সুরুজ মিয়া(৬২)। আগে কৃষি কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। কিন্তু শারীরিক সমস্যার কারণে পেশা বদল করে চানাচুর তৈরি ও বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন তিনি। তিনি নিজ হাতে ৩৫ বছর ধরে চানাচুর তৈরি করেন। আর এ কাজে সহযোগিতা করেন তার স্ত্রী রুমিনা বেগম।

তিনি জানান, এ্যাংকর ডালের ব্যাসন দিয়ে চানাচুর বানিয়ে সয়াবিন তেলে ভেজে পরিমিত পরিমাণ ঝাঁল, মসলা, বাদাম, ময়দার চটপটি মিলিয়ে মজাদার মুখরোচক চানাচুর তৈরি করেন। তার এ মুখরোচক চানাচুরের ক্রেতা স্কুল কলেজগামী ছাত্র- ছাত্রী, এমপি, অফিসার সহ বিভিন্ন বয়সের মহিলা ও পুরুষ লোকজন। মাথায় হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালার মত লাল টুপি পড়া সুরুজ মিয়াকে উলিপুর উপজেলা শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে দেখতে পাবেন। 

আগে পার্শ্ববর্তী কুড়িগ্রাম,  চিলমারী, দূর্গাপুর, নাজিমখানসহ বিভিন্ন এলাকার  আগে হাতে তৈরি এ মুখরোচক চানাচুর বিক্রি করতেন। এখন চাহিদা বাড়ায় শুধু উলিপুরে বিক্রি করেন। প্রতিদিন গড়ে ২০ কেজি করে চানাচুর তৈরি করে বিক্রি করেন। খরচ বাদে ৫’শ থেকে ৭’শ টাকা আয় হয়। এই আয়ে কোন রকমে সংসার চলে তার কোন সঞ্চয় নেই। তবে তিনি সহায়তা পেলে ছোট আকারের একটি কারখানা গড়ে তুলবেন বলে এ প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন। এতে এলাকার কিছু অভাবী লোকও কাজ পাবে বলে জানান। সুরুজ মিয়ার এক ছেলে ও এক মেয়ে। মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন ছেলে টেইলারিং এর কাজ করে। কথা প্রসঙ্গে তিনি জানান, নিজের প্রচেষ্টায় তিনি চানাচুর তৈরি করা শিখেছেন। তিনি এখন সাবলম্বী।

আমরাও তার সুখী জীবন কামনা করছি।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park