অধিকাংশ শিশুই এখনও সঠিক পুষ্টি থেকে বঞ্চিত। ফলে বেড়ে যাচ্ছে অপুষ্টি, রুগ্ণতা এবং শিক্ষাজীবনে পিছিয়ে পড়ার হার। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুর প্রথম ৫ বছরই হলো শারীরিক ও মানসিক বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ সময়, এই সময়টিতে সঠিক পুষ্টির অভাব হলে তা আজীবনের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে।
জাতীয় পুষ্টি পরিষদের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, দেশের ৫ বছরের নিচের শিশুদের মধ্যে প্রায় ৩২% অপুষ্টিতে ভুগছে, যার মধ্যে অধিকাংশই নিম্নআয়ের পরিবারের সদস্য।
কি খাওয়াবেন শিশুকে?
স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুর খাবারে নিচের বিষয়গুলো গুরুত্ব সহকারে রাখা উচিত:
বুকের দুধ: জন্মের পর ৬ মাস পর্যন্ত শুধুমাত্র মায়ের বুকের দুধই যথেষ্ট।
ঘরে তৈরি খাবার: ৬ মাস পর থেকে ডিম, দুধ, ভাত-মাছ, ডাল, ফল ও শাকসবজি।
পরিমাণ অনুযায়ী পানি ও পরিষ্কার খাদ্য পরিবেশন।
অভিভাবকদের ভূমিকাই প্রধান
পুষ্টিবিদ ডা. শারমিন আক্তার বলেন, “শিশুর জন্য বাজারের ফাস্টফুড বা প্রক্রিয়াজাত খাবার নয়, বরং ঘরে তৈরি স্বাস্থ্যকর খাবারই সবচেয়ে উপকারী। বাবা-মা সচেতন হলে শিশুর সুস্থ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা সম্ভব।”
সরকার এবং বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থা গ্রামীণ পর্যায়ে পুষ্টি সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তবে পরিবার থেকেই এর শুরু হওয়া দরকার বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।