আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন ও গণভোটের মাধ্যমেই দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, জনগণের অংশগ্রহণমূলক সিদ্ধান্তই রাষ্ট্রের আগামী দিনের পথনির্দেশ দেবে। মঙ্গলবার সকালে দক্ষিণ এশীয় উচ্চশিক্ষা আঞ্চলিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টা দেশের বিদ্যমান শিক্ষা ব্যবস্থার সমালোচনা করে বলেন, এ দেশে শিক্ষাব্যবস্থাকে মূলত চাকরি পাওয়ার লক্ষ্যে পরিচালিত করা হয়। পড়াশোনা শেষ করে চাকরি খোঁজার প্রবণতাকে কেন্দ্র করে পুরো শিক্ষা কাঠামো গড়ে উঠেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এ অবস্থার পরিবর্তন প্রয়োজন বলে মন্তব্য করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, তরুণরা কেন উদ্যোক্তা হওয়ার পথে এগিয়ে আসছে না এবং কেন তারা নতুন চিন্তা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে নিজেরা কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার সাহস দেখাচ্ছে না।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, তরুণদের মধ্যেই রয়েছে দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব। রাজনৈতিক দলগুলোতেও তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, তাদের অনেকেই নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিজয়ী হয়ে নেতৃত্বের আসনে আসবেন। তিনি বলেন, রাজনীতি ও রাষ্ট্র পরিচালনায় তরুণদের সম্পৃক্ততা বাড়লে দেশের গণতান্ত্রিক চর্চা আরও শক্তিশালী হবে।
বক্তব্যের একপর্যায়ে প্রধান উপদেষ্টা তরুণ সমাজের প্রতি স্বপ্নবাজ হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বড় স্বপ্ন দেখা এবং সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়ার মধ্য দিয়েই একটি জাতি এগিয়ে যেতে পারে। তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, নিজেদের সক্ষমতার ওপর বিশ্বাস রেখে নতুন পথ তৈরিতে এগিয়ে আসাই এখন সময়ের দাবি।