দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে ১১ দলীয় জোট মনোনীত ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী ও ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি)-এর আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলামের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় পার্টির প্রার্থী শামীম আহমেদ এই রিট দায়ের করেন।
রিটে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি), নির্বাচন কমিশনের সচিব, সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার এবং মো. নাহিদ ইসলামকে বিবাদী করা হয়েছে। আবেদনে দাবি করা হয়, ২০২৫ সালের ২০ এপ্রিল মো. নাহিদ ইসলাম ডমিনিকার নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন, যা বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী সংসদ সদস্য প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে প্রশ্ন সৃষ্টি করে।
হাইকোর্টের বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের বেঞ্চে এ আবেদনের ওপর শুনানি হতে পারে বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে নির্বাচনী মাঠে নতুন করে আলোচনা ও রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২১, ২২, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪১, ৪২ এবং ২৩ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ঢাকা-১১ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৭৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ২২ হাজার ৮৭৭ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ১৬ হাজার ১৯৮ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ৩ জন ভোটার রয়েছেন।
এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপির এম এ কাইয়ুম, এনসিপির মো. নাহিদ ইসলাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী কহিনূর আক্তার বীথি, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের কাজী মো. শহীদুল্লাহ, গণফোরামের মো. আবদুল কাদের, গণঅধিকার পরিষদের মো. আরিফুর রহমান, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মো. জাকির হোসেন, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মো. মিজানুর রহমান, জাতীয় পার্টির শামীম আহমেদ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শেখ মো. ফজলে বারী মাসউদ।
রিট আবেদনের ফলে ভোটের আগে ঢাকা-১১ আসনের নির্বাচনী পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।