1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ০৭:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত বেড়ে উদ্বেগ প্রধানমন্ত্রীর লাল টেলিফোনের তার চুরি করে ভাঙারিতে বিক্রি, গ্রেপ্তার ২ লক্ষ্মীপুরে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ৬ শিশুর মৃত্যুর কারণ জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী কটিয়াদীতে হত্যা মামলার আসামিরা জামিন পেয়েই হত্যা চেষ্টা, গ্রেপ্তারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন প্রান্তিক গ্রাহকদের স্বস্তি, আগের দামেই বিদ্যুৎ বিল দেওয়ার সুযোগ ফিরতে পারে সুধারামে মেকানিক দোকানেই চলছিল মাদক কারবার, গ্রেপ্তার-১ ঈদের রাতে আতশবাজির লোভ দেখিয়ে ৫ম শ্রেণীর ছাত্রকে বলাৎকারের চেষ্টা হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে মন্তব্যের জেরে মমতার বিরুদ্ধে এফআইআর আশুলিয়ায় ‘নিরাপদ সড়ক চাই’র লিফলেট বিতরণ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপর, খুলে দেওয়া হয়েছে সব গেট

ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশ রবিবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৫

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টির কারণে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে নীলফামারী, লালমনিরহাট ও রংপুরের তিস্তা তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। কয়েকটি এলাকায় অন্তত পাঁচ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়েছেন।

রোববার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে নদীর পানি রেকর্ড করা হয় ৫২.২৫ মিটার, যা বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার বেশি। পানির চাপ বেড়ে যাওয়ায় পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) তিস্তা ব্যারাজের সব ৪৪টি জলকপাট খুলে দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভারতের দার্জিলিং ও কালিম্পং অঞ্চলে টানা ভারী বৃষ্টির কারণে পাহাড়ি ঢল নেমে আসছে। এর ফলে ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিসা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী ও গয়াবাড়ী ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা গোলাপী বেগম বলেন, “বিকেল পর্যন্ত ঘরে পানি ওঠেনি, কিন্তু সন্ধ্যার পর থেকেই পানি ঢুকতে শুরু করেছে। এখন ঘরে রান্নাবান্না করতেও কষ্ট হচ্ছে।” অন্য একজন বাসিন্দা মনোয়ার হোসেন বলেন, “তিস্তার পানি ঘরে ঢুকে পড়েছে। যতক্ষণ পানি বাড়বে, ঘরে পানি উঠবে। এখন ঘর থেকে বের হওয়াও মুশকিল।”

পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ খান জানান, উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টির কারণে নদীর পানি বেড়ে কয়েকটি গ্রাম ডুবে গেছে এবং প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ পানিবন্দী। রাতের সময় পানি আরও বাড়লে মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে হবে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, “সন্ধ্যার দিকে তিস্তার পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। রাতে পানি আরও বাড়তে পারে। কিছু নিম্নাঞ্চল ইতিমধ্যে প্লাবিত হয়েছে।” ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইমরানুজ্জামান জানান, তিস্তার পানি বেড়ে একটি বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে, যা পাউবোর সহায়তায় মেরামত করা হচ্ছে। এছাড়া পানিবন্দী মানুষের জন্য শুকনা খাবারের ব্যবস্থা করা হবে।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park