1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
মাধবপুরে ভাবী ও ভাতিজিসহ ৩জনকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় তাহের উদ্দিনের ফাঁসি – দৈনিক দেশেরকথা
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সংসদ অধিবেশনে এমপির খাওয়াদাওয়ায় স্পিকারের ক্ষোভ কনটেন্ট ক্রিয়েটর হাসান নাসিমের জামিন মঞ্জুর ফতুল্লায় ফ্ল্যাটে অভিযান, ৩২০০ পিস ইয়াবা জব্দ; নারী পলাতক নারায়ণগঞ্জে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল নিয়োগ কার্যক্রমের প্রথম দিনের পরীক্ষা সম্পন্ন সাবেক প্রসিকিউটর সাইমুম রেজার বিরুদ্ধে কোটি টাকা ঘুষ দাবির প্রমাণ মিলেছে সরকারি সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত পুরোনো ভাড়াই বহাল থাকবে বাসে সংরক্ষিত আসনের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলেন তাসনিম জারা অফিস পেয়ে গাড়ি চাইলেন হাসনাত, ছোটদের ‘না’ না বলতে পরামর্শ বিরোধীদলীয় নেতার আলমডাঙ্গায় সেতু আছে, রাস্তা নেই! ৫৭ লাখ টাকার প্রকল্পে নজিরবিহীন অব্যবস্থাপনা বেগমগঞ্জে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে জামায়াত নেতা মাওলানা বোরহান উদ্দিন

মাধবপুরে ভাবী ও ভাতিজিসহ ৩জনকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় তাহের উদ্দিনের ফাঁসি

লিটন পাঠান,
  • প্রকাশ মঙ্গলবার, ২০ মে, ২০২৫

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি : হবিগঞ্জের মাধবপুরের ধর্মঘরের বীরসিংহপাড়ার পারিবারিক বিরোধের জেরে ভাবী ও ভাতিজিসহ তিনজনকে ছুরিকাঘাতে হত্যার দায়ে শাহ আলম ওরফে তাহের উদ্দিন (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২০ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ মো.কায়সার মোশাররফ ইউসুফ এ রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডের আদেশপ্রাপ্ত শাহ আলম মাধবপুর উপজেলার বীরসিংহপাড়ার প্রয়াত সৈয়দ হোসেনের ছেলে। আসামির উপস্থিতিতে রায় ঘোষণার পর তাকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আদালতের স্টেনোগ্রাফার মুখলেছুর রহমান জানান, তিনজনকে হত্যার ঘটনায় বিচারক তাকে আলাদা তিনটি মৃত্যুদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন।

আসামি ২০১৬ সাল থেকে কারাগারে ছিলেন নিহতরা হলেন, মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত শাহ আলমের ভাবী ও বীরসিংহপাড়ার গিয়াস উদ্দিনের স্ত্রী জাহানারা খাতুন (৪৫), মেয়ে শারমিন আক্তার (২৩) ও তাদের প্রতিবেশী আব্দুল আলীমের ছেলে শিমুল মিয়া (২৫)।

মামলার নথি থেকে জানা যায়,পাওনা টাকা ও পারিবারিক বিরোধের জেরে শাহ আলম ২০১৬ সালের ২৩ আগস্ট সন্ধ্যায় জাহানারা ও শারমিনকে তাদের ঘরে ঢুকে ছুরিকাঘাত করেন। এ সময় আহতদের চিৎকারে শিমুল এগিয়ে আসলে ছুরিকাঘাত করেন তাকেও। এতে জাহানারা ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং বাকী দুইজনকে হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার সময় নিহতদের স্বামী ও পিতা তখন দুবাই প্রবাসে ছিলেন বিধায় তার ভগ্নিপতি হাজী মো. মোহন মিয়া একমাত্র আসামি শাহ আলমের বিরুদ্ধে মাধবপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করলে পুলিশ কয়েকদিন পর তাকে গ্রেপ্তার করে।bএরপর আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে আলম জানান, তিনি গ্রীস প্রবাসে থাকার সময় জাহানারাকে কয়েক দফা টাকা পাঠান, এছাড়াও পৈতৃক সম্পত্তি বঞ্চিত হওযার ক্ষোভে দেশে ফিরে হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেন। এ ঘটনায় ২০১৭ সালের ৫ ডিসেম্বর মাধবপুর থানা পুলিশ আদালতে অভিযোগত্র দাখিল করে।

দীর্ঘ প্রায় ৯ বছর ধরে বিচার চলাকালে ১৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত রায় দিয়েছেন। নিহত জাহানারার স্বামী গিয়াসউদ্দিন বলেন, আমি আদালতে ন্যায় বিচার পেয়েছি। এখন দ্রুত রায়ের বাস্তবায়ন চাই। অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. আফজাল হোসেনও রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন তিনি বলেন, এ রায় দ্রুত বাস্তবায়ন হলে লোকজন এমন অপরাধ করতে ভয় পাবে।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park