1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
জামালপুরে দিন দিন বাঁশ শিল্পের ঐতিহ্য হারিয়ে যাচ্ছে  – দৈনিক দেশেরকথা
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
হরমুজ প্রণালিতে ইরানের টোল প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল উপসাগরীয় ৬ দেশ বিমানের বহর সম্প্রসারণে ১৪টি বোয়িং কিনছে সরকার, বৃহস্পতিবার বড় চুক্তি সই শ্রীপুরে পানিবন্দী ২০ পরিবারকে রক্ষায় এগিয়ে এলেন বিএনপি নেতা মোশারফ হোসেন সরকার কিশোরগঞ্জে ভিসা প্রলোভনে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ আকাশের বিরুদ্ধে  সংরক্ষিত নারী আসনে ৪৯ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত, গেজেট প্রকাশ বৃহস্পতিবার প্রয়োজন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি, ভূবনেশ্বর নদের মধ্যে তৈরি হচ্ছে পাকা স্থাপনা এনআইডি আবেদনে এসএসসি সনদ আপলোড বাধ্যতামূলক করল নির্বাচন কমিশন স্বাক্ষর জালিয়াতি করে তেল উঠানোর সময়  দুই যুবকের জরিমানা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের কৃষিমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ, কৃষি সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হাম প্রতিরোধে বাংলাদেশকে ১ লাখ ৭৫ হাজার ইউরো সহায়তা দেবে ইইউ

জামালপুরে দিন দিন বাঁশ শিল্পের ঐতিহ্য হারিয়ে যাচ্ছে 

শাহ আলী বাচ্চু
  • প্রকাশ রবিবার, ২৭ জুলাই, ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার, জামালপুর : বাঁশ ও বেতের তৈরি পণ্য এদেশের মানুষের পুরনো ঐতিহ্য। আর এ ঐতিহ্য দিন দিন হারিয়ে যেতে বসেছে। বেতের পণ‍্যের ব‍্যবহার নেই বললেই চলে। জামালপুর সদর উপজেলার শরিফপুর ইউনিয়নের ডেঙ্গারগড় গ্রামের গারো বাড়ি ও একই গ্রামের কুলাওলা বাড়ি, একই ইউনিয়নের রণরামপুর গ্রামের কুচবাড়ি ও শাহবাজপুর ইউনিয়নের মির্জাপুরের কুচ সম্প্রদায়ের লোকজন বাপ দাদার পুরাতন জাত ব‍্যবসা এখনো ধরে রেখেছেন ।

ডেঙ্গারগড় এলাকার গারো বাড়ীর বাদল সাংমা জানান, পূর্ব পুরুষের এই ঐত‍্যিহ‍্যকে টিকিয়ে রাখতে বাঁশের কাজ এখনও করে যাচ্ছি। জামালপুরের গারো কুলা জামালপুর তথা সারা দেশে পরিচিত ও সমাদৃত।

ঢেঙ্গারগড় কুলাওয়লা বাড়ীর সাইফুল ইসলাম বলেন , বাপ দাদার পুরনো পেশা ধরে রেখেছি। পূর্ব পুরুষদের এই ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখতে সাইফুল ইসলাম বর্তমানে হিমসিম খাচ্ছে। তার নিজ হাতে তৈরি পণ্যের মধ্যে কুলা, চালুন, ঝুড়ি, ডালা,ডুলি, মাছ ধরা বাইর,খালই, হাতপাখা পাখির খাঁচা, বাঁশের ঝাড়ু, মুডা,চাটাই সহ অসংখ্য পণ্য তৈরি করেন। বাঁশ দিয়ে নানা ধরনের পণ্য তৈরি করে তার বিক্রি করে সংসার চালান। 

বাজারে বাঁশের পণ্যের চাহিদা কম অন্য দিকে বড় বড় কোম্পানি গুলো বাজারে প্লাস্টিকের বিভিন্ন পণ্য সামগ্রী বাজারে আসায় বাঁশের চাহিদা মানুষে নিকট কমে গেছে। গত  ৭/৮ বছর পূর্বে বাঁশের পণ্য চাহিদা ছিল। আগে ২শ’ টাকার বাঁশ কিনে সেই বাঁশ দিয়ে বাঁশের সমগ্রী তৈয়ার করে ১হাজার টাকা বিক্রি করা যেত। এখন কিন্তু বাঁশের দাম বাড়ার কারনে ৪শ’ টাকার বাঁশ কিনে ৬শ’ টাকাও বিক্রি করা যায় না।  

সাইফুল ইসলাম আর বলেন- পূর্ব পুরুষের শেখা পেশা ধরে রেখে হাট-বাজারে বিক্রি করে কোন মতো সংসার চলে।সদর উপজেলার নান্দিনা বাজারে গিয়ে বাঁশের তৈরির নানা সামগ্রী বিক্রেতা জানান, আগে বাঁশের সামগ্রীর চাহিদা ছিল প্রচুর , বর্তমানে বাঁশের বিকল্প হিসেবে প্লাস্টিকের সামগ্রীর চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে বাঁশের চাহিদা অনেকাংশে কমে যাচ্ছে।তিনি আরো জানান, আগে বাঁশের কারিগরের পরিবারের ছোট বড় সকালে কাজ করতো।

বর্তমানে বাপ দাদার পেশা পরিবর্তন করে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন।তাই বাঁশের তৈরি সামগ্রী কিনতে হলে কারিগরদের অগ্রিম টাকা দিয়ে রাখতে হয়। বাঁশের কারিগরগণ মহাজনের নিকট অগ্রিম টাকা পেয়ে উপজেলার অনেকেই বাঁশের পণ্য সামগ্রী তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করেছেন। পেটের দায়ে বাধ্য হয়ে এই কাজেই করেন। সরকারি ভাবে প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সহায়তা দিলে পারিবার গুলো অবস্থার পরিবর্তন হবে এবং এলাকায় অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা ধরে রাখতে পারবে। সরকার যদি বাঁশ ও বেত শিল্পের কারিগরদের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন তবে তাদের বাঁশ শিল্পের তৈয়ারি জিনিস দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি করা যাবে।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park