জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ার খাবারে আবারও মাছি ও ধাতব টুকরা পাওয়া গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরের খাবারে মাছি এবং বিকালের নাস্তায় ধাতব টুকরো পাওয়া গেছে বলে জানান দুই শিক্ষার্থী।
জানা যায়, এদিন দুপুরে ক্যাফেটেরিয়াতে দর্শন বিভাগের ৫৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সরওয়ার রহমান মুরগির তরকারিতে মাছি পায়। একইদিনে বিকেলে নাস্তা নুডুলসে স্ট্যাপলার এর পিন বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক শিক্ষার্থী সাব্বির। সাব্বির বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ৫৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থী।
এবিষয়ে সরওয়ার রহমান বলেন, ক্যাফেটেরিয়ার খাবারে আজকে আমিও মাছি পেয়েছি। মাছি দেখে আমি দ্বিতীয়বার আর খাবার নেইনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের উচিত উদাসীন না থেকে এসব বিষয়ে নজর দেওয়া । এরকম ঘটনা বারবার হওয়া অপ্রত্যাশিত ।
এনিয়ে সাব্বির বলেন, আমি বিকালে নাস্তা করার সময় নুডুলসের মধ্যে স্টাপলার পিন পেয়েছি। দুঃখজনক হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের তদারকিতে চলা ক্যাফেটেরিয়ার এ অবস্থা প্রশাসন ও জাকসুর উদাসীনতা প্রকাশ করে।
এদিকে ক্যাফেটেরিয়ার খাবারে মাছি বসার নিয়ে জাবি শিক্ষার্থী এবং শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সদস্য এম রাফিদুল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান জাকসু নেতার ‘খাবার কাণ্ড’ কে উদ্দেশ্য করে তিনি তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বলেন, দীর্ঘদিন পর জাহাঙ্গীরনগরে আবারও প্রাসঙ্গিক মাছি কান্ড। ছাত্রসংসদে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ক্ষমতা তাদের নিকট ভারী না হয়ে উঠুক, মোহের পর্দা তাদের অন্ধ না করে দিক, তারা বুঝুক তারা কখন অহংকারী হয়ে উঠছেন।
উল্লেখ্য, এর আগেও ক্যাফেটেরিয়ার খাবারে মাছি পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে । সর্বশেষ গতকাল জাকসুর স্বাস্থ্য ও খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ক সম্পাদক হুসনে মোবারকের খাবারে মাছি পাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ সময় ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি এক দোকান কর্মচারীর দিকে খাবার ছুড়ে মারেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে এ ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা বটতলা এলাকার সব খাবারের দোকান বন্ধ করে বিচার দাবি করেন।