“লেনদেন হচ্ছে ক্যাশলেস, এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ”—ডিজিটাল লেনদেনে সচেতনতা বাড়াতে ৩ দিনব্যাপী কার্যক্রম নোয়াখালী প্রধান বাণিজ্য কেন্দ্র চৌমুহনীতে ক্যাশলেস ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ক্যাশলেস ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন শুরু করেছে পূবালী ব্যাংক পিএলসি। সোমবার দুপুরে একটি বর্ণাঢ্য র্্যালি শেষে চৌমুহনী মোরশেদ আলম কমপ্লেক্সে ব্যাংকের এজিএম ও চৌমুহনী শাখা ব্যবস্থাপক
স্বপ্না দাস চৌধুরীর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কায়েসুর রহমান।
এছাড়াও অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন, পূবালী ব্যাংকের ডিজিএম সাইফুর রহমান, বেগমগঞ্জ মডেল থানার ওসি তদন্ত হাবিবুর রহমান, চৌমুহনী পৌর বিএনপির সভাপতি জহির উদ্দিন হারুন, ব্যবসায়ী নেতা আবুল খায়ের, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এস এম আরিফ হোসেন তুহিন, সাংবাদিক ব্যবসায়ী আব্দুল্লাহ আল বাকী, জি এম মাহবুব হাসান,জামাত নেতা দেলোয়ার হোসেন,ব্যবসায়ী নেতা মোঃ ইউসুফ,কামরুল ইসলাম রাহাত ও হেলথ কেয়ার এর গিয়াস উদ্দিন জীবন সহ অন্যান্য সামাজিক ব্যক্তিবর্গ। ক্যাম্পেইনে গ্রাহকদের মধ্যে ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড, মোবাইল ব্যাংকিং ও অনলাইন ট্রানজেকশনের বিভিন্ন সুবিধা সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়। এছাড়া নগদবিহীন লেনদেনের নিরাপত্তা, সহজতা এবং সময় সাশ্রয়ের দিকগুলো তুলে ধরা হয়।
পূবালী ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, ক্যাশলেস ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রাহকরা সহজেই কেনাকাটা, বিল পরিশোধসহ বিভিন্ন আর্থিক লেনদেন করতে পারবেন। এতে যেমন সময় সাশ্রয় হবে, তেমনি আর্থিক নিরাপত্তাও বাড়বে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ক্যাশলেস লেনদেন চালু হলে ব্যবসা আরও গতিশীল হবে এবং গ্রাহকরাও আধুনিক সেবা পেতে সক্ষম হবেন।
এজিএম ও চৌমুহনী শাখা ব্যবস্থাপক স্বপ্না দাস চৌধুরী বলেন,পূবালী ব্যাংকটি ১৯৫৯ সালে বাঙালির হাতে প্রতিষ্ঠিত হয়।এই শাখাটি ১৯৬৭ সালে চৌমুহনীতে উদ্বোধন হয় বিগত ১৭ বছর মালিকপক্ষ কোন অর্থ গ্রহণ না করায় আজকে ব্যাংকটি এ অবস্থানে দাঁড়িয়েছে। গতকাল ২২৮৪ কোটি টাকা এ ব্যাংকে লেনদেন হয়েছে। পূবালী ব্যাংকের ডিজিএম সাইফুর রহমান বলেন,ব্যাংকের otp যদি কাউকে না দেয় তাহলে কোন গ্রাহকেরঝুকি থাকে না। বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি(বাসাস)চৌমুহনী ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন বাদল প্রশ্ন করেন, চৌমুহনীতে ১৫ কোটি টাকার খাল খননের কাজ হচ্ছে না কেন প্রশ্নের জবাবে বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কায়েসুর রহমান বলেন,প্রতিষ্ঠানটি লে-আউট করে চলে গেছে ঠিকাদার আসছে না আমি পৌর সচিবকে বলেছি উক্ত প্রতিষ্ঠানকে শোকজ করার জন্য।