মধ্যযুগীয় বর্বরতাকে হারমানিয়ে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে ৮বছরের কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থী মরিয়মকে গরম খুন্তির ছ্যাঁকা দিয়ে হাত-পা সহ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে দগ্ধ করার অভিযোগ উঠেছে পাষন্ড মা শিল্পী বেগমের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর শিল্পী বেগম গা ঢাকা দেন। এ ঘটনায় দগ্ধ শরীরের মরণ যন্ত্রণায় হাসপাতালের বেডে ছটফট করছে শিশু মরিয়ম। গরম খুন্তির ছ্যাঁকার ভয় আর আতঙ্কে বারবার জ্ঞান হারিয়ে ফেলছেন।গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়নের রূপালী কেশবা গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।
মরিয়ম ওই গ্রামের ছাদিকুল ইসলামের মেয়ে ও স্থানীয় একটি ব্র্যাক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।পাষণ্ড মায়ের এমন মর্মস্পর্শী ও হৃদয়বিদারক ঘটনায় এলাকা জুড়ে চাপা ক্ষোভ ও সমালোচনার ঝড় বইছে।অনেকে শিশুটির ব্যাথায় ব্যতীত হয়ে দেখার জন্য হাসপাতালে ভিড় জমাচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে শিশু মরিয়মের চাচা শহিদুল ইসলাম ও ফুফু নুর বানু জানান,গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মরিয়ম প্রতিবেশী শিশুদের সাথে খেলছিল। এসময় সহপাঠীদের সাথে তার সামান্য ঝগড়া হয়। এ ঘটনায় সহপাঠীর অভিভাবকরা শিল্পী বেগমকে অভিযোগ দিলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে খুন্তি গরম করে হাত-পা সহ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে ছ্যাঁকা দেয়। তার আত্মচিৎকার শুনে আমরা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ভর্তি করাই। আমরা এমন নিষ্ঠুর ও নির্দয় মায়ের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করছি।
এ ব্যাপারে কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লুৎফর রহমান বলেন, এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে শিশু নির্যাতনকারী মায়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।