1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ০১:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
উজিরপুরে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীতকরণের দাবিতে মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ। শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী আজ, দেশব্যাপী বিএনপির নানা কর্মসূচি মা হলো পাগলি বাবাত হলো না কেউ সড়ক দুর্ঘটনায় নাজিরপুরের একই পরিবারের প্রাণ হারিয়েছে ৩ জন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে কোরবানি হচ্ছে না ভাইরাল মহিষ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত সাড়ে ৭টায়, অংশ নেবেন রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী কালশীর বস্তিতে ভয়াবহ আগুন, পানির সংকটে ফায়ার সার্ভিসের অভিযান প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তরুণীকে ছাদ থেকে ফেলে হত্যা, গ্রেপ্তার যুবক ঈদযাত্রায় দুই মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, ভোগান্তিতে ঘরমুখো মানুষ সুন্দরগঞ্জে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত জেলা জজ আউয়াল সরকার

প্রেসকন্ফারেন্স ও মানববন্ধনে ইন্ধন দিয়েসাবেক স্ত্রীর নামে মানহানি করে বেড়াচ্ছে মাদ্রাসা সুপার

ঝালকাঠি প্রতিনিধি
  • প্রকাশ শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬


স্ত্রীকে বিভিন্নভাবে নির্যাতন এবং ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে পরিশোধ না করে দায় চাপানো, চরিত্র নিয়ে কটাক্ষ-কটুক্তি করায় এক বছর আগেই স্বামী কেএম আব্দুল্লাহকে ডিভোর্স দেয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ফেরদৌসী খানম। এরপর থেকেই আইনী হয়রানিসহ বিভিন্নভাবে অপপ্রচার চালিয়ে হয়রানি করারর অভিযোগ করেছেন ডিভোর্সী স্ত্রী ও বর্তমানে কানুনিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ফেরদৌসী খানম। তিনি এ বিদ্যালয়ে প্রায় দেড় বছর ধরে ডেপুটিশনে কর্মরত আছেন। তিনি এ অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে রাজাপুর সাংবাদিক ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।

এতে তিনি উল্লেখ করেছেন, ২০০৫ সালের ২০মে পারিবারিকভাবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই। বিয়ের পর থেকেই নানান অজুহাতে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করেছেন। তিনি শিক্ষক হলেও এসএসসি, এইচএসসি ও বিএ পরীক্ষার সময়ও আমাকে ভালোভাবে পড়াশুনা করতে দেননি। বিএ পরীক্ষার কয়েকদিন আগেও আমার বই আগুনে পুড়িয়ে ও পানিতে ফেলে নষ্ট করে দিয়েছিলো। তবুও স্বামীর সংসার এবং নিজের পড়াশুনার সমন্বয় করেই জীবনকে অতিবাহিত করতে থাকি। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের বিষয়েও তার দ্বিমত ছিলো কঠিনভাবে। তবুও তাকে ম্যানেজ করে পিত্রালয়ের সহায়তায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে কৃতকার্য হয়ে সরকারী চাকুরিটি ভাগ্যক্রমে অর্জন করি। ইতিমধ্যে আমাদের দুটি পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। তবুও থেমে থাকেনি তার নির্যাতন। ক্রমান্বয়ে তার নির্যাতনের মাত্রা আরো বেড়ে যায়।

আমার বেতনের চেক বইয়ে স্বাক্ষর করিয়ে তার কাছেই রাখতো। আমাকে শুধু স্কুলের যাতায়াত ভাড়াই দিতো। ব্যক্তিগতভাবে চাকুরীজীবী হলেও আমার কোন স্বাধীনতা বা চাহিদা ছিলো তার কাছে তুচ্ছ বিষয়। এসব নিয়ে কথা বললে তিনি আমাকে মারধর করতেন। বারবার বাবার বাড়ি চলে যাবার চাপ দিতেন এবং সেখান থেকে টাকা এনে দেয়ার চাপ দিতেন। উপায়ন্তু না পেয়ে আমার চাকুরীর অনুকূলে দু’বারে তাকে প্রায় দেড় লাখ টাকার ব্যাংক লোন তুলে দিই। যা তার বাড়ি বামনখান গ্রামে ভবন নির্মাণ কাজে খরচ করেন।

আমার এক সহকর্মীর সাথে নৈতিকতা বিষয়ে প্রতিষ্ঠানিক দ্বন্দ্ব হলে কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ওই বিদ্যালয় ছেড়ে ডেপুটিশনে কৈবর্তখালী শুন্য পদে যোগদান করি। সেখানে শিক্ষক শূন্যতা পূরণ হলে পরবর্তিতে কানুনিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ডেপুটিশনে পোস্টিং হলে সেখানে যোগদান করি। এরমধ্যে তিনি আমাকে নানান বিষয় নিয়ে অমানবিক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতে থাকেন। নির্যাতনের মাত্রা এতোটাই তীব্র আকার ধারণ করে তাতে তার সাথে সংসার টিকিয়ে রাখা কষ্টসাধ্য বিষয় হয়ে দাড়ায়। বিষয়টি মাসহ অন্যান্য অভিভাবকদের জানালে তারাও সমাধানের চেষ্টা করেন। তিনি সব মেনে নিবেন জানালেও বাস্তবে তার উল্টো আচরণ করেন। ইতিমধ্যে কৌশলে সে আমার চেকবইসহ যাবতীয় গুরুত্বপুর্ন কাগজপত্র গোপন করে রাখেন। তাতে আমি রাগান্বিত হয়ে বাবার বাড়িতে চলে যাই। এরপর থেকেই তিনি আমার নামে বিভিন্নভাবে অপপ্রচার, মিথ্যাচার ও বদনাম করতে থাকেন। লোকজন নিয়ে আমাকে বিদ্যালয় থেকে অপহরণের চেষ্টাও করেন। এতে নিজেকে আর নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে গত বছরের ৪জুন তাকে ডিভোর্স লেটার পাঠিয়ে দেই। এরপরে আমার নামে একাধিক মামলা করে হয়রাণি শুরু করে। গত ২৯মার্চ কানুনিয়া এলাকার কিছু লোকজনকে দিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, ষড়যন্ত্রমূলক, মিথ্যা বক্তব্য দিয়ে মানববন্ধন করিয়েছেন। আমি তার মিথ্যাচারের প্রতিবাদ জানালে তিনিও প্রেসকন্ফারেন্স করে মিডিয়া এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমার নামে অশালীন ও কুরুচিপুর্ণ ভাষা ব্যবহারে অপপ্রচার করে।


এছাড়াও কেএম আব্দুল্লাহ তার কর্মস্থলে (ছত্রকান্দা মোস্তফাবাদ কাসেমিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার) সহকর্মীদের সাথে রূঢ় আচরণ, কমিশন আগে না পেলে বেতনশীটে স্বাক্ষর না দেয়া, দুনীর্তির মাধ্যমে নিয়োগবাণিজ্য নানান অনৈতিক ও রাস্ট্রদ্রোহী কাজে জড়িত রয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন ফেরদৌসী খানম। তিনি মিথ্যাচারে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করেন।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park