1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
৫ কার্গো এলএনজি আমদানির অনুমোদন লাকসামে সিনেমা কায়দায় অপহৃত শিক্ষার্থীকে দুইদিনেও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ মেসির অট্টহাসি কি প্রতিপক্ষের জন্য বার্তা? আত্মবিশ্বাসে উজ্জ্বল আর্জেন্টাইন অধিনায়ক বৃদ্ধা মায়ের মৃত্যুর ঘটনায় যুগ্ম সচিব আনিসুর রহমানকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার সিরাজগঞ্জে দুই মিষ্টির দোকানকে ৩৮ হাজার টাকা জরিমানা তৃতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন আমির খান, পাত্রী গৌরি স্প্র্যাট? জনগণের আস্থা পূরণে কাজ করছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ: স্পিকার মাদারগঞ্জে সাপের কামুড়ে শিশুর মৃত্যু কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা: বিমান চলাচল বন্ধ , নিহত ১ আহত কয়েকজন  মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করলে আবারও গণ-অভ্যুত্থান হবে: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

শুল্ক জটিলতায় বেনাপোল বিমুখ ব্যবসায়ী, সুবিধায় এগিয়ে ভোমরা বন্দর

ইকরামুল ইসলাম
  • প্রকাশ শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬

শুল্ক বৈষম্যে বেনাপোল বন্দরে ধস, ভোমরায় বাড়ছে ব্যবসা

পবিত্র রমজান মাসকে কেন্দ্র করে দেশে বিদেশি ফলের চাহিদা বাড়ায় যশোরের বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে ফল আমদানির চাহিদা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ে। তবে দামের ঊর্ধ্বগতির কারণে এসব ফল এখন সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার অনেকটাই বাইরে চলে গেছে।

আমদানিকারকরা বলছেন, পাশ্ববর্তী সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরের তুলনায় বেনাপোল বন্দরে শুল্ক আদায়ে বৈষম্য এবং স্লাব পদ্ধতির কারণে আমদানি ব্যয় অনেক বেশি পড়ছে। এতে একটি ফলবাহী ট্রাকে সাতক্ষীরার ভোমরা বন্দরের তুলনায় বেনাপোল বন্দরে দুই থেকে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত রাজস্ব দিতে হচ্ছে।

ফলে অনেক ব্যবসায়ী এখন বেনাপোল বন্দর এড়িয়ে ভোমরা বন্দরের দিকে ঝুঁকছেন। এতে দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোলের রাজস্ব আদায়ে বড় ধরনের প্রভাব পড়ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

বেনাপোল কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রথম আট মাসে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় ১ হাজার ৬৫০ কোটি টাকার রাজস্ব ঘাটতি দেখা দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বন্দর সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও কর্মকর্তারা।

ফল আমদানিকারকের প্রতিনিধি জাবেদ হোসেন বলেন, ভোমরা বন্দরে যেখানে একটি ট্রাকে যে পরিমাণ রাজস্ব দিতে হয়, বেনাপোলে তার চেয়ে দুই থেকে তিন লাখ টাকা বেশি দিতে হচ্ছে। এতে অনেক ব্যবসায়ী বাধ্য হয়ে ভোমরা বন্দরে পণ্য খালাস করছেন। বেনাপোল কাস্টমসে বিদ্যমান শুল্ক বৈষম্য  সংস্কার করা হলে আবারও আমদানিকারকরা বেনাপোলমুখী হবেন এবং রাজস্ব আদায়ে গতি ফিরবে।

এদিকে ব্যবসায়ীদের একাংশ অভিযোগ করেছেন, ভোমরা বন্দরে স্কেলে ওজন কারচুপি এবং সেন্টিগেট জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারের কোটি কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে বন্দরের উপপরিচালক মামুন কবীর তরফদার এবং সাবেক স্থলবন্দর ইমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সভাপতি ও ট্রাফিক পরিদর্শক জাহাঙ্গীর হোসেনের যোগসাজশ রয়েছে বলেও অভিযোগ উঠে।

বেনাপোলের সিঅ্যান্ডএফ ব্যবসায়ী কামাল হোসেন জানান, ভোমরা বন্দরে প্রতি ট্রাকে ২ থেকে ৩ টন ওজনে সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। আর বেনাপোল বন্দরে পণ্যের নিট ওজন পরেও অতিরিক্ত ৫০০ কেজি চাপিয়ে দেওয়ায় ক্ষতির মুখে পড়ছে ব্যবসায়ীরা।  গত সোমবার দেশের সবচেয়ে বড় বেনাপোল বন্দরে ভারত থেকে  আমদানি পণ্যের পরিমান ছিল ৩০৮ ট্রাক। আর ভোমরা বন্দরে আমদানি হয়েছে ৩২২ ট্রাক বিভিন্ন ধরনের পণ্য। এতে বোঝা যায় বর্তমান বাণিজ্যিক অবস্থা। এপথে আমদানি বাণিজ্য বাড়াতে হলে  ব্যবসায়ীদের বৈধ সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। 

বেনাপোল আমদানি,রফতানি সমিতির সাধারন সম্পাদক জিয়াউর রহমান জানান, যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়াতে ব্যবসায়ীরা বেনাপোল বন্দর ব্যবহার করতে চায়। কিন্তু এপথের ব্যবস্থা ভোমরা মুখী করতে একটি চক্র কাজ করছে। তাদের সহযোগীতায় বড় অংকের টাকা নিচ্ছে ভোমরা বন্দরের উপপরিচালক মামুন কবীর তরফদার। এতে বেনাপোল বন্দরে বিশেষ করে কাচা মালের ব্যবসা ধসের মুখে। বর্তমানে  আমদানি অর্ধেকের নিচে কমে এসেছে। বৈধ সুবিধা যদি কাস্টমস বা বন্দর নিশ্চিত করতে না পারে তবে ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি সরকার সামনের দিনে আবো বড় ধরনের রাজস্ব ঘাটতির কবলে পড়বে। 

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park