1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৩:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকা আর বাসযোগ্য মনে হয় না, শহরের বাইরে থাকার কথা ভাবছি: মির্জা ফখরুল সেই ছয় শিশুর পরিবারকে চাকরি-আজীবন ফ্রি চিকিৎসার প্রস্তাব আদ্-দ্বীনের ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরিতে কমল ৫ হাজার ৪৮২ টাকা শার্শায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র‍্যালি অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে বায়ু লিক, জরুরি সতর্কতা তুলে নিল নাসা ডেঙ্গু প্রতিরোধে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট, লার্ভা পাওয়া গেলে জরিমানা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী আওয়ামী লীগের দুর্নীতি ও পাচারের বোঝা এখনো বহন করছে দেশ: তথ্যমন্ত্রী কুয়েত ও বাহরাইনের দিকে সাতটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরান নওগাঁ সীমান্তে ১৭ জনকে পুশ ইনের চেষ্টা, বিজিবির সতর্কতায় ব্যর্থ বিএসএফ

নির্বাচিত ৭০ আসনের ২১.৪ শতাংশে জাল ভোটের তথ্য পেয়েছে টিআইবি

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশ সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

নির্বাচিত ৭০টি আসনের মধ্যে ২১.৪ শতাংশ আসনে এক বা একাধিক জাল ভোটের তথ্য পেয়েছে Transparency International Bangladesh (টিআইবি)। রাজধানীর মাইডাস সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রক্রিয়া ও হলফনামা ভিত্তিক পর্যবেক্ষণ’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, দৈবচয়ন পদ্ধতিতে নমুনাভিত্তিকভাবে নির্বাচিত ৭০টি আসনের মাঠপর্যায়ের গবেষণায় এ চিত্র উঠে এসেছে। তিনি স্পষ্ট করে জানান, এর অর্থ এই নয় যে ২১ শতাংশ আসনে বা জাতীয়ভাবে ২১ শতাংশ জাল ভোট পড়েছে। বিষয়টি সেইভাবে ব্যাখ্যা না করার আহ্বান জানান তিনি।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রায় অর্ধেক সদস্যের বিরুদ্ধে দায় বা ঋণের তথ্য রয়েছে। সংসদ সদস্যদের মোট দায় বা ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকা, যা বিগত চার সংসদের তুলনায় সর্বোচ্চ। দলভিত্তিক হিসাবে বিএনপির ৬২ শতাংশ এবং জামায়াতে ইসলামীর ১৬ শতাংশ সদস্যের দায় বা ঋণ রয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়।

পেশাগত পরিচয়ের দিক থেকে দেখা গেছে, এবারের সংসদেও ব্যবসায়ী পেশার প্রতিনিধিরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ—প্রায় ৬০ শতাংশ। যদিও দ্বাদশ সংসদের তুলনায় ব্যবসায়ীদের হার ৫ শতাংশ কমেছে, তবে নবম সংসদের তুলনায় তা ৩ শতাংশ বেশি।

টিআইবির পর্যবেক্ষণে আরও বলা হয়, নির্বাচন আয়োজনে সম্পৃক্ত সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে বিশেষ করে প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর একাংশের ক্ষেত্রে সুস্থ ও প্রভাবমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে অনিয়ম ও নিষ্ক্রিয়তা লক্ষণীয় ছিল। একইসঙ্গে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের অনেকের মধ্যে সমান প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র নিশ্চিত করার মূল্যবোধে ঘাটতি দেখা গেছে। নির্বাচনী আচরণবিধি মানার অঙ্গীকার থাকলেও প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো তা যথাযথভাবে প্রতিপালন করেনি এবং নির্ধারিত ব্যয় সীমা অতিক্রমের প্রবণতাও অব্যাহত ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park