1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বেগমগঞ্জে ৪০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার এরদোয়ানকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর, সম্পর্ক উন্নয়নে নতুন উদ্যোগ রাতে বাড়ছে মেট্রোরেল চলাচলের সময়, নতুন সূচি কার্যকর ৭ জুন থেকে ৪০ যাত্রীর জীবন বাঁচাতে নিজের প্রাণ দিলেন বাস হেলপার দুলাল, নিহতের পরিবারের পাশে এসিআই মটরস আশুলিয়ায় ঘাস খাওয়ানোকে কেন্দ্র করে নারীকে হত্যা পিরোজপুরে অতিরিক্ত বাস ভাড়া আদায়ের অভিযোগে ২৩ হাজার টাকা জরিমানা সীমান্তে অব্যাহত বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির কঠোর অবস্থানে ব্যর্থ একাধিক উদ্যোগ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারদলীয় এমপিদের সংসদীয় সভা অনুষ্ঠিত স্বাধীন বাংলাদেশ পুনর্গঠনের রূপকার জিয়াউর রহমান: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ভাতিজার হাতে চাচা খুন

মাধবপুরে চড়া দামে সার কিনে হতাশ কৃষক দেখার কেউ নেই

লিটন পাঠান
  • প্রকাশ মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

হবিগঞ্জের মাধবপুরে খোলা বাজারে সারের দাম নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছে। কৃষকদের অভিযোগ, সার বিক্রির খোলা বাজারে সরকারের নির্ধারিত দাম মানা হচ্ছে না, যার ফলে তাদের পকেট থেকে অতিরিক্ত টাকা উঠছে। মাধবপুরে সার ডিলাররা এই পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে বলে ভুক্তভোগীরা দাবি করেছেন। উপজেলার বিভিন্ন বাজারে চলমান এই পরিস্থিতিতে কৃষকরা জানান যে, সারের দাম প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইউরিয়া, টিএসপি, ডিএপি এবং এমওপি সারের দাম প্রয়োজনীয়তার তুলনায় অনেক বেশি হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকারের নির্ধারিত দাম অনুযায়ী ইউরিয়া সার প্রতি কেজি ২৭ টাকার পরিবর্তে ৩০ টাকা, টিএসপি সার ২৭ টাকার পরিবর্তে ৩০ টাকা, ডিএপি সার ২১ টাকার পরিবর্তে ২৫ টাকা, এমওপি সার ২০ টাকার পরিবর্তে ২৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে, কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী সরকারি অনুমোদনের জন্য আগস্ট মাসে চাহিদা অনুযায়ী ইউরিয়া সার ১ হাজার ৫০৫ টন, টিএসপি সার ৩০০ টন, ডিএপি সার ৩৫৫ টন, এমওপি সার ৫৫৬ টন বরাদ্দ হয়েছিল। তবে চলতি মাসে অনুমোদিত সারের পরিমাণ অনেক কম, যা বাজারে সঙ্কট সৃষ্টি করছে। কৃষকদের মতে, এই অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির কারণে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি হচ্ছে, আর এর ফলে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। কৃষকের অভিযোগ, গত অর্থবছরে প্রতিটি কেজি সারের ওপর অতিরিক্ত টাকা নেয়া হয়েছে। ইউরিয়া সার ৩ টাকা করে ১৪ লাখ ১৬ হাজার টাকা অতিরিক্ত, টিএসপি সার ৩ টাকা করে ৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা, এমওপি সার ৫ টাকা করে ৫ লাখ টাকা, ডিএপি সার ৮ টাকা করে ৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা অতিরিক্ত নেয়া হয়েছে।

এই অতিরিক্ত টাকা মিলিয়ে চক্রটি প্রায় ৩১ লাখ ৪৬ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। কৃষকরা বলছেন, যদি বাজারে সঠিকভাবে তদারকি করা হতো, তাহলে সার ডিলাররা এই ধরনের দামের সিন্ডিকেট তৈরি করতে পারত না। সার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত কার্যকারী পদক্ষেপ নেয়া উচিত।

জানা গেছে, মাধবপুরে ৩১টি মূল সার ডিলার এবং ১০২টি সাবডিলার রয়েছে। কৃষকদের মতে, সঠিক তদারকির অভাব এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিষ্ক্রিয়তা এই সিন্ডিকেট তৈরি করেছে। সাবডিলাররা এভাবে অবৈধভাবে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি করছে। তদারকি করার জন্য প্রতিটি ইউনিয়নে উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা নিযুক্ত হলেও তারা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করছেন না বলে অভিযোগ রয়েছে।

মাধবপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সজিব সরকার জানান, সারের সঙ্কট নেই, নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। তবে, কিছু জায়গায় অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি হওয়ার তথ্য আমরা পেয়েছি। সঠিক তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park