1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ০২:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
উজিরপুরে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীতকরণের দাবিতে মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ। শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী আজ, দেশব্যাপী বিএনপির নানা কর্মসূচি মা হলো পাগলি বাবাত হলো না কেউ সড়ক দুর্ঘটনায় নাজিরপুরের একই পরিবারের প্রাণ হারিয়েছে ৩ জন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে কোরবানি হচ্ছে না ভাইরাল মহিষ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত সাড়ে ৭টায়, অংশ নেবেন রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী কালশীর বস্তিতে ভয়াবহ আগুন, পানির সংকটে ফায়ার সার্ভিসের অভিযান প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তরুণীকে ছাদ থেকে ফেলে হত্যা, গ্রেপ্তার যুবক ঈদযাত্রায় দুই মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, ভোগান্তিতে ঘরমুখো মানুষ সুন্দরগঞ্জে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত জেলা জজ আউয়াল সরকার

শেখ হাসিনার মতোই একাত্তরে নেতাকর্মীদের বিপদে ফেলে পালিয়ে গিয়েছিলেন শেখ মুজিব

ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশ রবিবার, ২৩ মার্চ, ২০২৫

চব্বিশের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার মতোই একাত্তরের ২৫ মার্চ শেখ মুজিবুর রহমান নেতাকর্মীদের বিপদে ফেলে পালিয়ে গিয়েছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদের মেয়ে শারমিন আহমদ।

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ওই অনুষ্ঠানে শারমিন আহমদ বলেন, ২৫ মার্চ গ্রেফতার হওয়ার আগে শেখ মুজিব তাজউদ্দিন আহমদকে কোনো নির্দেশনাই দিয়ে যাননি। ওই রাতে হাসিনার মতোই নেতাকর্মীদের ছেড়ে নিজের পরিবারকে নিরাপদ জায়গায় রেখে উনি (শেখ মুজিব) পালিয়ে গেলেন। সেই রাতে তিনি তাজউদ্দিন আহমদকে বলে গেলেন ‘নাকে তেল দিয়ে ঘুমাও, পরশু হরতাল ডেকেছি। এখনো খোঁজ করলে সেই হরতালের পোস্টারগুলোও পাওয়া যাবে।

তিনি বলেন, এই হরতালের ঘোষণা তিনি যখন দিলেন তখন অলরেডি আমরা জানতে পেরেছি যে, ক্র্যাকডাউন হবে। এই খবরটি কিন্তু তখন ফাঁস। শেখ মুজিব কিন্তু এর সবকিছুই জানতেন। তারপরও তিনি নেতাকর্মীদের মৃত্যুর মুখে রেখে নির্দিষ্ট কোনো নির্দেশনা দিলেন না। তিনি একবারও বলেননি তোমরা সরকার গঠন করো, শুধু তাই নয়- তিনি কিন্তু স্বাধীনতার ঘোষণাটুকুও দিলেন না।

শারমিন আহমদ আরও বলেন, সেই রাতে বাবার সঙ্গে শেখ মুজিবের অনেক তর্কবিতর্ক হয়েছিল। বাবা বলেছিলেন, ‘মুজিব ভাই পৃথিবীর ইতিহাসে কোথাও নাই যে, যুদ্ধের মুখে জাতিকে ফেলে দিয়ে নেতা ধরা দিয়েছেন। আপনি তো কোনো নির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছে না’। কিন্তু বাবার এসব কথা শুনে উনি শুধু বললেন ‘তোমরা যা করার করবে’। তখন বাবা বলেছিলেন, আপনি কী কোনো বৈঠক করে বলে দিয়েছেন যে, আপনার পরে চেইন অব কমান্ড কী হবে?

তিনি বলেন, যার ফলে এসব নিয়ে বিশাল একটা বিভক্তি আছে। এবং ওই রাতে আমার বাবা যখন উদভ্রান্তের মতো এদিক-ওদিক পায়চারি করছিলেন তখন তরুণ ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম এসে বললেন, ‘তাজউদ্দিন ভাই আমি তো মুজিব ভাইয়ের ওখানে গিয়েছিলাম কিন্তু তিনি আসবেন না। উনি তো গোসল করে পরিপাটি হয়ে গ্রেফতার হওয়ার জন্য রেডি’।

মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস চাপা দেওয়া হয়েছে দাবি করে তাজউদ্দীন কন্যা বলেন, এমন অনেক কথা আছে যেগুলো বের হয়ে আসবে বলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস চাপা দিয়ে রাখা হয়েছিল এতোকাল। এ কারণে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বাদ দিয়ে তারা লাফ দিয়ে ওই ৭ মার্চ, ২৬ মার্চ করে ওনারা চলে গেছেন ৭২- এর দিকে। এটা তো ভয়াবহ।

প্রসঙ্গত, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার পলায়নের পর জাতীয় চার নেতার পরিবারের সঙ্গে শেখ পরিবারের বিরোধ সামনে আসে। বঙ্গতাজের ছেলে তানজীম আহমেদ সোহেল তাজ একাধিকবার দাবি করেছেন, চার নেতার পরিবারকে নিজেদের প্রয়োজনে ব্যবহার করেছেন হাসিনা।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park