1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
শাপলা চত্বর ঘটনায় ঘটনাস্থলেই ৩২ জন নিহতের প্রমাণ মিলেছে: চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম – দৈনিক দেশেরকথা
রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ০৯:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রবাস জীবনের অদেখা কষ্ট—স্বপ্নের আড়ালে লুকানো বাস্তবতা প্রাথমিকের সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪,৩৮৪ শিক্ষকের কাউকে বাদ দেওয়া হবে না: শিক্ষামন্ত্রী অবশেষে আমেরিকার অস্ত্রের বড় চালান আসছে মধ্যপ্রাচ্যে মাধবপুরে মহাসড়ক দখল করে রিক্সার দাপট যানজটে ভোগান্তি ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি শাপলা চত্বর ঘটনায় ঘটনাস্থলেই ৩২ জন নিহতের প্রমাণ মিলেছে: চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম কওমি শিক্ষাব্যবস্থাকে মূলধারায় আনতে সমন্বিত নীতিমালা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী নোয়াখালীতে প্রেস ফ্রিডম ডে পালিত আপাতত শপথ হচ্ছে না এনসিপি নেত্রী নুসরাত তাবাসসুমের সরকার মিডিয়ার সঙ্গে সংঘাতে যেতে চায় না: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা মে মাসে ঘূর্ণিঝড় ও তীব্র কালবৈশাখীর শঙ্কা, থাকতে পারে দাবদাহও

শাপলা চত্বর ঘটনায় ঘটনাস্থলেই ৩২ জন নিহতের প্রমাণ মিলেছে: চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম

দেশেরকথা ডেস্ক:
  • প্রকাশ রবিবার, ৩ মে, ২০২৬

২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসমাবেশে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ঘটনাস্থলেই ৩২ জন নিহত হওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, এই ঘটনায় তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে এবং আগামী ৭ জুনের মধ্যেই তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

রোববার (৩ মে) সকালে নিজ কার্যালয়ে গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানান চিফ প্রসিকিউটর। তিনি বলেন, শাপলা চত্বরের ঘটনাস্থলে ৩২ জন নিহত হওয়ার তথ্য নিশ্চিতভাবে পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও মৃত্যুর প্রমাণও তদন্তে উঠে এসেছে।

চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পুলিশের সদস্যদের পাশাপাশি সরকারের ঊর্ধ্বতন পর্যায়ের কিছু ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতার তথ্যও পাওয়া যাচ্ছে। তিনি দাবি করেন, তদন্তে এমন প্রমাণ মিলেছে যে, কেউ কেউ এই ঘটনায় আর্থিক সহায়তাও দিয়েছে। এছাড়া ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদেরও তদন্তের আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, এই ঘটনায় যারা নিহত হয়েছেন তাদের তথ্য সংগ্রহসহ অন্যান্য প্রমাণ বিশ্লেষণ করে গত এক থেকে দেড় বছর ধরে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৫ মে রাতে মতিঝিলের শাপলা চত্বর এলাকায় হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশ চলাকালে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে ব্যাপক সংঘর্ষ ও প্রাণহানির অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, রাত ১১টার পর বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে পুলিশ, র‍্যাব ও বিজিবির যৌথ অভিযানে সাউন্ড গ্রেনেড, গুলি ও লাঠিচার্জ চালানো হয়। এতে আন্দোলনকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়ে এবং বহু হতাহতের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়।

এ ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহিউদ্দিন খান আলমগীর, তৎকালীন আইজিপি হাসান মাহমুদ খন্দকার, অতিরিক্ত আইজিপি শহীদুল হক, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন, ডিএমপি কমিশনার বেনজীর আহমেদ এবং র‍্যাবের সাবেক কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানসহ একাধিক শীর্ষ ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

এছাড়া সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকারসহ আরও ১২ জনকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে এই মামলায় ২৫ জনের বেশি আসামি রয়েছে বলে জানা গেছে।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park