বিবিসি বাংলার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনকে মিথ্যা ও মানহানিকর দাবি করে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা শাখার সদস্য সচিব মাহদী হাসান। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কাছে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে এবং ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন প্রত্যাহারের আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, গত ৮ মার্চ এক আইনজীবীর মাধ্যমে লন্ডনে অবস্থিত ব্রিটিশ ব্রডকাস্টিং করপোরেশন-এর মহাপরিচালক এবং ঢাকায় বিবিসি বাংলা নিউজের প্রধান সম্পাদকের কাছে এই আইনি নোটিশ পাঠানো হয়।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, গত ২১ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে মাহদী হাসানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে তার কাছে প্রায় ৪০ লাখ টাকার ক্রিপ্টোকারেন্সি থাকার বিষয়সহ আরও কিছু অভিযোগ প্রকাশ করা হয়। তবে মাহদী হাসান এসব তথ্যকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছেন।
তিনি অভিযোগ করেন, যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়া প্রকাশিত ওই প্রতিবেদন তার ব্যক্তি ও সামাজিক মর্যাদাকে ক্ষুণ্ন করেছে। এ কারণে বিবিসি বাংলার কাছে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করার পাশাপাশি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদনটি প্রত্যাহার ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
আইনি নোটিশে আরও বলা হয়, মাহদী হাসান নিজেকে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের একজন সামনের সারির কর্মী এবং বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলার প্রতিনিধি হিসেবে পরিচয় দেন। তার দাবি, প্রতিবেদনে তার সম্পর্কে ভুল ও মানহানিকর তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে।
এ বিষয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যাখ্যা ও সংশোধন না এলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিবিসি বাংলার পক্ষ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।