1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ০৭:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
৫ কার্গো এলএনজি আমদানির অনুমোদন লাকসামে সিনেমা কায়দায় অপহৃত শিক্ষার্থীকে দুইদিনেও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ মেসির অট্টহাসি কি প্রতিপক্ষের জন্য বার্তা? আত্মবিশ্বাসে উজ্জ্বল আর্জেন্টাইন অধিনায়ক বৃদ্ধা মায়ের মৃত্যুর ঘটনায় যুগ্ম সচিব আনিসুর রহমানকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার সিরাজগঞ্জে দুই মিষ্টির দোকানকে ৩৮ হাজার টাকা জরিমানা তৃতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন আমির খান, পাত্রী গৌরি স্প্র্যাট? জনগণের আস্থা পূরণে কাজ করছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ: স্পিকার মাদারগঞ্জে সাপের কামুড়ে শিশুর মৃত্যু কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা: বিমান চলাচল বন্ধ , নিহত ১ আহত কয়েকজন  মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করলে আবারও গণ-অভ্যুত্থান হবে: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

ফের বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম

দেশেরকথা ডেস্ক:
  • প্রকাশ সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল জোটের চলমান সামরিক উত্তেজনার প্রভাবে বিশ্ব তেলবাজারে তীব্র অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম বেড়ে ব্যারেল প্রতি ১০৮ দশমিক ৭৭ ডলারে পৌঁছেছে।

সোমবার (৯ মার্চ) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তেলের সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় বিশ্ববাজারে দাম দ্রুত বাড়ছে। গত সপ্তাহেই তেলের দাম প্রায় ২৮ শতাংশ বেড়েছে, যা সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় উল্লম্ফনগুলোর একটি।

বিশ্লেষকদের মতে, এই অস্থিরতার প্রধান কারণ বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি বাণিজ্য রুট হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়া। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল জোটের পাল্টাপাল্টি হামলার কারণে বাণিজ্যিক জাহাজগুলো নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়েছে। ফলে অনেক জাহাজই এই পথ ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকছে।

জেপি মর্গানের প্রধান অর্থনীতিবিদ ব্রুস কাসম্যান বলেন, বিশ্ব অর্থনীতি এখনও মধ্যপ্রাচ্যের তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। আর এই জ্বালানির বড় অংশই হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্ববাজারে সরবরাহ করা হয়। ফলে এই রুটে অস্থিরতা তৈরি হলে তার প্রভাব সরাসরি বৈশ্বিক অর্থনীতিতে পড়ে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে অদূর ভবিষ্যতে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১২০ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে। তবে উত্তেজনা কমে গেলে দাম কিছুটা কমার সম্ভাবনাও রয়েছে। রাজনৈতিক সমাধান না হলে বছরের মাঝামাঝি পর্যন্ত ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেল প্রতি প্রায় ৮০ ডলারের আশেপাশে স্থিতিশীল থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন তিনি।

অর্থনীতিবিদদের মতে, এই সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে চলতি বছরের প্রথমার্ধে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রায় ০ দশমিক ৬ শতাংশ কমে যেতে পারে এবং ভোক্তা পর্যায়ে পণ্যের দাম প্রায় ১ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের কারণে তেলের দামের ঊর্ধ্বগতি বিশ্ব অর্থনীতিকে নতুন করে মন্দার ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তারা।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park