ঢাকার কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন এলাকায় মাদক সেবনে বাধা দেওয়ার পর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. রাইসুল ইসলামকে হত্যার হুমকি এবং তার বাবাকে মারধরের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার আসামি এহসানুর হক মাহিমকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
আজ শুক্রবার ঢাকার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. তানভীর আহমদ এ আদেশ দেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তার মাহিমকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও কেরানীগঞ্জ মডেল থানার উপপরিদর্শক শহিদুল ইসলাম তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন কালিন্দী ইউনিয়নের মাদারীপুর সড়ক-২ এলাকায় অধ্যাপক রাইসুল ইসলামের বাড়ির সামনে দীর্ঘদিন ধরে আড্ডাবাজি ও মাদক সেবন করে আসছিলেন মাহিম। বিষয়টি নিয়ে নিষেধ করায় বিভিন্ন সময় ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের হুমকি দেওয়া হতো বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়, গত বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ৮টার দিকে রাইসুল ইসলামের বাবা নজরুল ইসলাম তাদের আড্ডা দিতে নিষেধ করলে আসামি মাহিম ক্ষিপ্ত হয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন। এক পর্যায়ে তিনি নজরুল ইসলামকে কিল-ঘুষি ও লাথি মারেন। এতে তার চোখের নিচে রক্তাক্ত জখম হয়। এছাড়া নজরুল ইসলামের পকেটে থাকা নগদ ৬ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
এ সময় চিৎকার শুনে পরিবারের লোকজন এগিয়ে গেলে অধ্যাপক রাইসুল ইসলামকে হত্যার হুমকি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে আসামি মাহিম ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় অধ্যাপক মো. রাইসুল ইসলাম বাদী হয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।