1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
ঋণে ডুবে থাকার চেয়ে লোডশেডিংয়ের কষ্টে থাকা ভালো – দৈনিক দেশেরকথা
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কুড়িগ্রামে নানা আয়োজনে সময় টেলিভিশনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন  সোশ্যাল মিডিয়া মানুষকে বিভ্রান্ত করতে পারে: মির্জা ফখরুল মসজিদে মাইকিং করে রোগী ডেকে অর্থ আদায়, ধরা খেলেন ব্রাকের স্বাস্থ্যকর্মী নবীনগরে ৩ সাংবাদিককে অবরুদ্ধ করার প্রতিবাদে দোষীদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত কুষ্টিয়া সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে প্রায় ২৪ লাখ টাকার মাদক উদ্ধার ৪১৯ হজযাত্রী নিয়ে রাতেই শুরু হচ্ছে প্রথম হজ ফ্লাইট এপ্রিল ও মে মাসে জ্বালানি সংকট নেই, পূর্ণ মজুদের দাবি প্রতিমন্ত্রীর জাতীয় সংকট উত্তরণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানালেন জামায়াত আমির ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস আজ সেনবাগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৩ ইট ভাটা বন্ধ, ৬ লাখ টাকা জরিমানা

ঋণে ডুবে থাকার চেয়ে লোডশেডিংয়ের কষ্টে থাকা ভালো

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশ শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, একসময় লোডশেডিং ছিল, কিন্তু জাতির কাঁধে ঋণের বোঝা ছিল না। এখন বাতি জ্বলছে ঠিকই, তবে সেই আলোর পেছনে জমেছে বিপুল ঋণ। তার ভাষায়, “ঋণে ডুবে থাকার চেয়ে কষ্ট করে থাকা ভালো।”

বৃহস্পতিবার বিকেলে সচিবালয়ে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স বাংলাদেশ–এর নির্বাহী কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। এর আগে বিদ্যুৎ খাতের ৭৬ হাজার কোটি টাকা বকেয়া ও লোকসান নিয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর–এর সঙ্গে বৈঠক করেন মন্ত্রী।

বৈঠকে জানানো হয়, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)-এর কাছে বিভিন্ন কোম্পানির পাওনা দাঁড়িয়েছে ৪৬ হাজার কোটি টাকা। এছাড়া বিভিন্ন সরকারি কোম্পানির পুঞ্জীভূত লোকসান প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা। সংশ্লিষ্টরা সতর্ক করেন, এই বকেয়া ও লোকসান পরিশোধ না হলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়বে। বৈঠকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা হলেও জ্বালানি সরবরাহের সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা নেই। কোথাও উৎপাদন সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও কেন্দ্র বসিয়ে রেখে ক্যাপাসিটি পেমেন্ট দিতে হচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। তিনি জানান, তার সময়ে বিদ্যুৎ খাতে সিস্টেম লস ছিল ৬ শতাংশ, যা বর্তমানে বেড়ে ১০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। তার হিসাব অনুযায়ী, প্রতি ১ শতাংশ সিস্টেম লস মানে প্রায় ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি।

লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে সিস্টেম লস ৩ শতাংশে নামিয়ে আনা, প্রাথমিকভাবে ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এতে লোকসান কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। অন্যথায় দায় বাড়বে এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার চাপও বাড়তে পারে।
বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর সঙ্গে সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানান তিনি, যাতে উভয়পক্ষের স্বার্থ রক্ষা করে ব্যয় নিয়ন্ত্রণে আনা যায়।

গ্যাস সংকট প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এটি কেবল সংবাদ শিরোনামের বিষয় নয়, বরং দীর্ঘদিন কূপ খনন না করায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করেন, বিদেশের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানে জোর দেওয়া হবে। নতুন রিগ কেনার পরিকল্পনা রয়েছে এবং এর জন্য দক্ষ জনবল গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

বর্তমান বাস্তবতায় সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো—বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল রাখা, একই সঙ্গে ঋণের ভার কমানো। আলো জ্বললেও সেই আলোর পেছনের আর্থিক চাপ কতটা সামাল দেওয়া যাবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park