1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanhrd74@gmail.com : desher kotha : desher kotha
  3. mdtanjilsarder@gmail.com : Tanjil News : Tanjil Sarder
হবিগঞ্জের চা শিল্প এখন হুমকিতে উৎপাদন কমেছে ১৫ থেকে ৪৫ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন না হওয়ার আশঙ্কা - দৈনিক দেশেরকথা
রবিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৮:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কিশোরগঞ্জে বন্ধের দিনে বিদ্যালয়ের বটগাছ কাটছেন প্রধান শিক্ষক যোগ্য-সৎ-নির্ভিক ৪২ ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল চান পিরোজপুরের পুলিশ সুপার কিশোরগঞ্জে বাঁশঝাড়ে গলায় ফাঁস দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা হবিগঞ্জে বেদে সম্প্রদায়ের লোকের মানবেতর জীবনযাপন করছে রাজাপুরে দুই ইজিবাইকের সংঘর্ষে প্রাণ গেলো শিশু সিয়ামের শিক্ষাক্রম নিয়ে যে এত রকম কথা হচ্ছে তার মধ্যে অধিকাংশ হচ্ছে মিথ্যাচার: শিক্ষামন্ত্রী জামালপুরে সরিষার বাম্পার ফলন,গাছ তুলে শুকাতে ব্যস্ত কৃষকরা। বাংলাদেশ আজ উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে: প্রধানমন্ত্রী মিষ্টি কুমড়া ও সিম চাষে সাবলম্বী ওবায়দুর বিজ্ঞান শিক্ষায় পিছিয়ে বাংলাদেশ, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে বিজ্ঞান শিক্ষার দৈন্যতা বড় একটি চ্যালেঞ্জ

হবিগঞ্জের চা শিল্প এখন হুমকিতে উৎপাদন কমেছে ১৫ থেকে ৪৫ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন না হওয়ার আশঙ্কা

মোঃ লিটন পাঠান
  • প্রকাশ শনিবার, ২৩ জুলাই, ২০২২

 45 বার পঠিত

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি>হবিগঞ্জ জেলাজুড়ে অব্যাহত খড়া ও দিনে অন্তত ৬ ঘন্টা বৈদ্যুতিক লোডশেডিংয়ের কারণে সংকটের মুখোমুখি হয়েছে চায়ের উৎপাদন। এতে হবিগঞ্জের লস্করপুর ভ্যালির ২৪টি বাগানে ভরাও মৌসুমেও উৎপাদন কমে গিয়েছে কয়েকগুণ। গেল বছর অর্থাৎ ২০২১ সালে এ ২৪টি বাগান থেকে চা উৎপাদন হয়েছিল ১ কোটি সাড়ে ১৭লক্ষ কেজি। এ পরিমাণ লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় চলতি বছরও। কিন্তু খড়ার কারণে শুরুর দিকেই উৎপাদন কমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন না হওয়ার।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন এখন চা উৎপাদনের ভরা মৌসুম। কিন্তু গত দুই সপ্তাহ ধরে প্রচন্ড খড়ার কারণে রেড স্পাইডার ও হেলোফিলিসসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে চা গাছ। যো বাগানে দিনে ৪০ থেকে ৪৫ হাজার কেজি পাতা উৎপাদনের কথা সেখানে উৎপাদন হচ্ছে ৮ থেকে ১০ হাজার কেজি। ডানকান ব্রার্দাসের চান্দপুর চা বাগান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে এ সময় তাঁদের বাগানে দিনে ৪০ হাজার কেজির বেশি পাতা উৎপাদন হওয়ার কথা কিন্তু উৎপাদন হচ্ছে মাত্র ৮ থেকে ১০ হাজার কেজি। একই অবস্থা ভ্যালীর আমু, নালুয়া, লস্করপুর, চন্ডিচড়া সহ আরও কয়েকটি বাগানে।

ছোট বাগানগুলোতে উৎপাদনের অবস্থা আরও খারাপ। গত জুন পর্যন্ত প্রতিটি বাগানে উৎপাদন ঘাটতি রয়েছে ১৫ থেকে ৪৫ শতাংশ। এদিকে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী দিনে ২ ঘন্টা লোডশেডিং করার কথা থাকলেও লোডশেডিং হচ্ছে অন্তত ৬ ঘন্টা। এর প্রভাব পড়েছে চায়ের শিল্পেও। অধিকাংশ চা বাগানের ফ্যাক্টরী প্রতিদিন গড়ে ১০ ঘন্টা বন্ধ থাকছে। এছাড়া বার বার ফ্যাক্টরী বন্ধ হওয়ার কারণে নষ্ট হচ্ছে চায়ের গুণগত মান। জেনারেটর ব্যবহার করলে এতে বাড়ছে উৎপাদন ব্যয়।

চান্দপুর চা বাগানের সিনিয়র ব্যবস্থাপক শামীমুল হুদা বলেন, চায়ের ভরা মৌসুমে আশানুরুপ পাতা পাওয়া যাচ্ছে না। বৃষ্টি নেই, তাই রোগের আক্রমণও বাড়ছে। পাশাপাশি বিদ্যুতের সমস্যা নতুন করে সংকট তৈরী করেছে। দেউন্দি চা বাগানের সিনিয়র ব্যবস্থাপক রিয়াজ উদ্দিন বলেন, চায়ের ভরা মৌসুমে প্রচন্ড খরায় সেচ দিতে হচ্ছে। নতুন করে সমস্যা সৃষ্টি করেছে বিদ্যুতের লোডশেডিং। এতে উৎপাদন খরচ কয়েকগুণ বেড়েছে। লস্করপুর ভ্যালীর চেয়ারম্যান ও তেলিয়াপাড়া চা বাগানের ব্যবস্থাপক মোঃ রফিকুল ইসলাম জানান, পুরো ভ্যালীতেই এবার চায়ের উৎপাদনে বাধা দীর্ঘমেয়াদী খরা, নানা রোগ। নতুন যোগ হয়েছে বিদ্যুতের লোডশেডিং। সবমিলিয়ে চা শিল্প বড় সমস্যায় পড়তে যাচ্ছে।

দেশেরকথা/বাংলাদেশ

এই বিভাগের আরো খবর

ফেসবুকে আমরা

এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২১ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park