1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
সিরাজগঞ্জে মিথ্যা অপহরণ মামলার সাক্ষীদের ১০ বছর জেল – দৈনিক দেশেরকথা
শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভেড়ামারায় জিয়া খাল পুনঃখনন উদ্বোধন: কৃষিতে ফিরবে প্রাণ, মিটবে জলাবদ্ধতা খানপুরে অভিযানে ৩৫ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার টেন্ডার অনিয়মের মূল হোতা নরসিংদীর সিভিল সার্জনের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের রুল জারি পরকীয়ার টানাপোড়েনে যুবক হত্যা, গোয়ালঘরের মাটি খুঁড়ে মিলল মরদেহ রাশিয়ায় ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় কিশোরগঞ্জের যুবক নিহত, পরিবারে শোকের মাতম নোয়াখালীতে এসিল্যান্ড-তহশিলদারসহ ৯জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা জটিলতা কাটিয়ে সরকার গঠনের পথে থালাপতি বিজয় গুম-অপহরণ ও ভয়ের সংস্কৃতিমুক্ত রাষ্ট্র চায় জনগণ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৫ মরদেহের পাশে ছিল চিরকুট, যা লিখা ছিল তাতে কোনো ধর্মকে টার্গেট করে ক্ষতি না করার আহ্বান জানানো হবে ভারত সরকারকে: জামায়াত আমির

সিরাজগঞ্জে মিথ্যা অপহরণ মামলার সাক্ষীদের ১০ বছর জেল

নজরুল ইসলাম
  • প্রকাশ মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬

প্রায় তিন যুগ পর সাজানো অপহরণ মামলায় মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ায় চার ব্যক্তিকে ১০ বছর করে কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেক সাক্ষীকে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৫মে) দুপুরে সিরাজগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ ইকবাল হোসেন এই আদেশ দেন।

দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন শাহজাদপুর উপজেলার চিতুলিয়া গ্রামের কাশেম আলী, আকবর আলী, আছের উদ্দিন ও বছিরুন্নেছা।
আদালতের অতিরিক্ত পিপি হাদীউজ্জামান শেখ হাদী বলেন, ১৯৯০ সালের ১৮ জুলাই শাহজাদপুর উপজেলার চিথুলিয়া গ্রামের আমির হোসেন মণ্ডলের ছেলে হিমুর সঙ্গে পাশের কাশীনাথপুর গ্রামের দেলবর খন্দকারের ছেলে আরমানের মারামারি হয়। এ নিয়ে উভয় পরিবারের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হলে দেলবর খন্দকার তার ছেলে আরমানকে টাঙ্গাইলে তার ফুপুর বাড়িতে লুকিয়ে রেখে ছয়জনের বিরুদ্ধে অপহরণের মামলা করেন। এই মামলায় চিথুলিয়া গ্রামের আমির হোসেন মণ্ডল তার ভাই ইমাম মণ্ডল এবং আমির হোসেন মণ্ডলের দুই ছেলে বাবু মণ্ডল ও  হিমু মণ্ডলকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেন আদালত।

পিপি হাদীউজ্জামান শেখ আরও বলেন, এই চারজন কারাভোগ শেষে কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে লুকিয়ে রাখা (অপহৃত) আরমানকে খুঁজতে থাকেন। একপর্যায়ে ২০০৯ সালে গোপন সূত্রে জানতে পারেন আরমান পাবনা জেলার চাটমোহরে তার এক আত্মীয়র বাড়িতে দাওয়াত খেতে এসেছেন। পরে বিষয়টি পাবনা র‌্যাব অফিসে জানালে র‌্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আরমানকে আটক করেন।

পিপি হাদীউজ্জামান শেখ জানান, মিথ্যা অপহরণ মামলা করায় কারাভোগকারী বাবু মণ্ডল বাদী হয়ে অপহরণ মামলার বাদী ও সাক্ষীসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। সেই মামলার বাদী ও ভিকটিম মারা যাওয়ায় মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ায় আজ মঙ্গলবার চার সাক্ষীকে ১০ বছর করে কারাদণ্ডাদেশ দেন আদালত।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park