1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanhrd74@gmail.com : desher kotha : desher kotha
  3. mdtanjilsarder@gmail.com : Tanjil News : Tanjil Sarder
সংসার ছেড়ে স্ত্রী চলে যাওয়ায়জীবন্ত কবর নেয়ার চেষ্টা স্বামীর - দৈনিক দেশেরকথা
বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কিশোরগঞ্জে হারিয়ে যাওয়া জামাই পিঠায় জীবিকা বাকপ্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণ অতঃপর পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ বাড়াবাড়ি করলে সরকার যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে: তথ্যমন্ত্রী দশমিনায় হুইল চেয়ার ও শীতবস্ত্র বিতরন তিন মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে না পারলে দুদকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা:সতর্ক হাইকোর্ট শুরু হলো এসএসসি পুনঃনিরীক্ষার আবেদন ইবিতে ‘পরিবেশ সুরক্ষা ও ভোক্তা অধিকার’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত  মেঘনা ধনাগোধা নদীর উপর মতলব-গজারিয়া সেতু নির্মাণ হলে দেশের দক্ষিনাঞ্চলের অর্থনীতীতে শিল্প বিপ্লব ঘটবে :পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী কিশোরগঞ্জে জেলা পরিষদের নব-নির্বাচিতদের বরণ অনুষ্ঠিত ত্রিশালে ধান কাটা-মাড়াইয়ে ব্যস্ত কৃষক ও শ্রমিকরা

সংসার ছেড়ে স্ত্রী চলে যাওয়ায়জীবন্ত কবর নেয়ার চেষ্টা স্বামীর

ইলিয়াস খান
  • প্রকাশ মঙ্গলবার, ২৩ আগস্ট, ২০২২

 16 বার পঠিত


ভালবেসে বিয়ে করার পরও স্ত্রী চলে গেছে বাপের বাড়িতে। আর সেই দু:খে নিজের কবর নিজেই খুঁড়ে তার মধ্যে ঠাঁই নেয়ার চেষ্টা কাবিল নামের এক যুবকের। এলাকাবাসী সোমবার বিকেলে তাকে কবর থেকে তুলে ঘরে ফিরিয়ে দিয়েছে। তথ্য নিষ্চিত করেছে নলছিটি উপজেলার ভৈরবপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এ.কে.এম আবদুল হক।
স্থানীয় বাদল ফকির বলেন, পারিবারিক ঘটনায় কষ্ট পেয়ে নিজে কবর খুঁড়ে, বাঁশ কেটে জীবন্ত কবর নিতে চেষ্টা চালায় কাবিল নামের ঐ যুবক। 
ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার ঈশ্বরকাঠি গ্রামের নাজিম উদ্দিন বলেন, সোমবার বিকেলে নিজের খোঁড়া কবরের মধ্যে প্রবেশ করে উপরে বাঁশ সাজাচ্ছিলো কাবিল। খবর পেয়ে আশপাশের মানুষ গিয়ে তাকে কবর থেবে টেনে উপরে তুলে আনে। 
স্থানীয়রা জানায়, ১৫ বছর আগে ঈশ্বরকাঠি গ্রামের রসূল ফকিরের ছেলে মো: কাবিল ফকির একই উপজেলার পাওতা গ্রামের দেনছের আলী হাওলাদারের মেয়ে আসমা বেগমকে বিয়ে করেন।
বিয়ের কয়েক বছর পর আরও দুটি বিয়ে করেন কাবিল ফকির। তবে আসমাসহ তিন স্ত্রীকে নিয়েই বসবাস করে আসছিলেন তিনি। 
তবে কয়েক মাস আগে ঘটা পারিবারিক বিরোধের জের ধরে স্ত্রী আসমা তাদের তিন বছরের একমাত্র সন্তানকে নিয়ে মাসখানেক আগে বাপের বাড়ি চলে যান। পরে তাকে কয়েকবার বাড়ি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হলেও ব্যর্থ হন স্বামী কাবিল। আর সেই ক্ষোভে কবর খুঁড়ে তার ভেতর বসবাসের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান কাবিল। দৈনিক দেশেরকথাকে কাবিল বলেন, ভালবেসে আমি আসমাকে বিয়ে করেছিলাম। আমাদের সাড়ে তিন বছরের একটি ছেলে সন্তানও আছে। ওদের ছাড়া আমার জীবন বৃথা। ওদের না পেলে আমি কবরে বসেই মরে যাবো। আর বেঁচে থেকে জীবন্ত লাশ হতে চাইনা।
এব্যপারে ভৈরবপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারমান এ.কে.এম আবদুল হক বলেন, কাবিল কিছুটা মানুষিক ভারসম্যহীন। দীর্ঘদিন ধরেই সে নানারকম পাগলামি করে আসছে। তবে নিজের কবর খোঁড়ার খবর পেয়ে আমি ওর অভিভাবকের সাথে কথা বলে পারিবারিক ভাবে বিষয়টি সমাধানের জন্য বলেছি।

দেশেরকথা/বাংলাদেশ

এই বিভাগের আরো খবর

ফেসবুকে আমরা

এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২১ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park