1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanhrd74@gmail.com : desher kotha : desher kotha
রংপুরে চাঞ্চল্যকর শিশু ধর্ষন মামলার ৩জনকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১৩ - দৈনিক দেশেরকথা
রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন

রংপুরে চাঞ্চল্যকর শিশু ধর্ষন মামলার ৩জনকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১৩

শরিফা বেগম শিউলী
  • প্রকাশ শনিবার, ১১ জুন, ২০২২

 108 বার পঠিত

রংপুর র‍্যাব-১৩ এর আভিযানিক দল গতকাল ভোর রাতে গাইবান্ধা জেলার গবিন্ধগঞ্জ থেকে রংপুরের গঙ্গাচড়ায় চাঞ্চল্যকর ৭বছরের শিশুকে ধর্ষনের অভিযোগের ৩ আসামীকে গেফতার করেছে। ১২ বছরের  কম বয়সী শিশুকে ধর্ষণ করলে জ্বিনের আছর থেকে মুক্তি পায়ো যাবে। এমন কুসংস্কারে শিকার হয়েছে রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার ৭ বছরের এক শিশু কন্যা।

ওই শিশু ধর্ষণ মামলার তিন আসামীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। গ্রেফতারকৃতরা হল গঙ্গাচড়া উপজেলার দক্ষিণ খলেয়া কাহারটারী গ্রামের মেজবাউল হক ঘুটু (২৮), ঘুটুর বাবা আজহারুল ইসলাম (৫০) ও  সূর্যিনা বেগম (২২)।  তাদেরকে শনিবার সকালে গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। শনিবার দুপুরে নগরীর আলমনগরস্থ র‌্যাব-১৩ এর সদর দপ্তরে অধিনায়ক রেজা আহমেদ ফেরদৌস সংবাদ সম্মেলনে তাদের গ্রেফতারের বিষয়টি জানান। 

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ২ জুন স্কুলে যাওয়ার পথে ওই শিশুর সাথে দেখা হয় কাহারটারীর সূর্যিনা বেগমের। এ সময় টাকা দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সূর্যিনা স্কুলে শেষে ওই শিশুকে তার বাড়িতে আসতে বলে। স্কুল শেষে শিশুটি সূর্যিনার বাড়িতে আসে। এ সময় সূর্যিনা তাকে মোবাইল ফোনে গান শোনায়, অশ্লীল ছবি দেখানোসহ নানা গল্প-গুজব করে ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী দুপুর আড়াইটার দিকে সূর্যিনার ঘরে ঘুটু  প্রবেশ করে ওই শিশুকে  ধর্ষণ করে। এ সময় শিশুটি চিৎকার করলেও সূর্যিনা ও ঘুটুর বাবা আজহারুল এগিয়ে আসেনি।

পরবর্তীতে সূর্যিনা ও আজহারুলের সহযোগিতা ঘুটু ওই শিশুকে তার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। বাড়িতে যাওয়ার পর অসুস্থ হয়ে পড়লে মাকে সবকিছু খুলে বলে শিশুটি। পরে শিশুটিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করে পরিবারের সদস্যরা। এ ঘটনায় ৪ জুন শিশুটির বাবা গঙ্গাচড়া থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। বিষয়টি নিয়ে পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করে। 

র‌্যাব অধিনায়ক আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘুটু জানিয়েছে তার উপর জ্বিনের আছর ছিল বলে পরিবারের সদস্যরা বিশ্বাস করতো। এজন্য ঘুটু স্থানীয় বিভিন্ন হাতুড়ি চিকিৎসক ও কবিরাজের কাছে চিকিৎসা করিয়েছিল। একজন কবিরাজ ঘুটুকে জানায় ১২ বছরের কম বয়সী শিশুকে ধর্ষণ করলে জ্বিনের আছর থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

এ অপবিশ্বাস ও কুসংস্কারের উপর ভিত্তি করে ঘুটু, তার বাবা ও সূর্যিনার সহযোগিতায় এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটায়। তবে এ বিষয়ে আরও অধিকতর তদন্ত চলছে বলে জানায় র‌্যাবের কর্মকর্তা। গ্রেফতারকৃত আসামীদের গঙ্গাচড়া থানায় হস্তান্তর করা হবে বলে জানান র‍্যাবের অধিনায়ক

দেশেরকথা/বাংলাদেশ

এই বিভাগের আরো খবর

ফেসবুকে আমরা

এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২২-২০২৩ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park