মিয়ানমারের যুদ্ধ বিমান থেকে ছোড়া দুটি গোলা বান্দরবানের তমব্রু সীমান্তের জনবসতিহীন পাহাড়ে বিস্ফােরিত হয়েছে। এতে হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে বান্দরবানের পুলিশ সুপারের (এসপি) দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
এসপির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “এ সময় যুদ্ধবিমান থেকে আনুমানিক আট-থেকে ১০টি গোলা এবং হেলিকপ্টার থেকে ৩০ থেকে ৩৫টি ফায়ার করতে দেখা গেছে।“যুদ্ধবিমান থেকে ফায়ার করা দুটি গোলা ৪০ নম্বর সীমান্ত পিলার ১২০ মিটার বরাবর বাংলাদেশের অভ্যন্তরে এসে পড়ে।”বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, “ঘুমধুম ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের তুমব্রু সীমান্ত পিলার ৩৪ ও ৩৫ নম্বর এলাকায় মিয়ারমানের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিজিপি) রাইট ক্যাম্প থেকে ভারী অস্ত্রের ফায়ার এখনও চলমান রয়েছে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, শনিবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে ঘুমধুম ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের রেজু আমতলীর বিজিবির বিওপির (সীমান্ত চৌকি) আওতাধীন সীমান্ত পিলার ৪০ ও ৪১ নম্বর মাঝামাঝি এলাকায় ঢুকে পড়ে এসব যুদ্ধ বিমান।
গত ২৮ আগস্ট দুটি মর্টারের গোলা নাইক্ষ্যংছড়ির উত্তর ঘুমধুমপাড়ার জনবসতিপূর্ণ এলাকায় এসে পড়েছিল।মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় মিয়ানমারের যুদ্ধবিমান বাংলাদেশের সীমানায় ঢুকে পড়ল।এজন্য সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বিজিবি।
আরো পড়ুনঃ ঘর পাবার আশ্বাস পেল চা শ্রমিকরা
এ বিষয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন “মিয়ানমার থেকে আর কাউকে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করতে দেয়া হবে না এজন্য বিজিবিসহ সব বাহিনীকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এছাড়াও ”যুদ্ধবিমান থেকে গোলাবর্ষণের ঘটনায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব করবে ঢাকা” বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।