1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
মাধবপুরে দিনমজুর হত্যা ১৬বছর পর ৪ আসামির মৃত্যুদণ্ড – দৈনিক দেশেরকথা
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ধর্মপাশায় রাস্তা না পেয়ে ঘরবন্দি ফজদার মিয়া, সমাধানহীন ভোগান্তি বৈষম্য দূরীকরণে স্বাস্থ্যসেবা বিকেন্দ্রীকরণের উদ্যোগ শুরু করেছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু ২ জুলাই চকরিয়ায় ২৪ ঘণ্টায় বিশেষ অভিযানে ১৯ আসামী গ্রেফতার পুনঃখনন না হলে হারিয়ে যাবে সোনাইছড়ি নদী ডেস্ক রিপোর্টার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি মার্কিন অবরোধ না তুললে হরমুজ প্রণালী আবার বন্ধ করে দেওয়া হবে: ইরান ঋণের কিস্তি ছাড় নিয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি আইএমএফ, স্থগিতের খবর নাকচ সরকারের রাজধানীর বাইকারদের জন্য সুখবর, ঢাকায় ১৮ পাম্পে বাড়ানো হলো ‘ফুয়েল পাস’ কার্যক্রম ৭ বিভাগে বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, কোথাও শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনাও

মাধবপুরে দিনমজুর হত্যা ১৬বছর পর ৪ আসামির মৃত্যুদণ্ড

লিটন পাঠান
  • প্রকাশ বুধবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৫

হবিগঞ্জের মাধবপুরে পরকীয়ার জেরে এক দিনমজুরকে হত্যার ঘটনায় চারজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (৯-এপ্রিল)

২০২৫ইং দুপুরে হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (২) একেএম কামাল উদ্দিন এ রায় দেন। বিচারক আসামিদের প্রত্যেককে ফাঁসিতে ঝুঁলিয়ে মৃত্যুদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানার আদেশ দিয়েছেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া এ হত্যা মামলার অপর আসামি মারাজ মিয়ার আগেই মৃত্যু হওয়ায় আদালত তাকে অব্যাহতি দেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, মাধবপুর উপজেলার বার চান্দুরা গ্রামে মোহাম্মদ আলীর ছেলে এমরান মিয়া, একই গ্রামের মারাজ মিয়ার ছেলে সোলেমান মিয়া, প্রয়াত হরমুজ আলীর ছেলে জাহেদ মিয়া ও মুরাদপুর গ্রামের মৌলা মিয়া ছেলে আবুল মিয়া। মামলায় অভিযোগের বরাতে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পেশকার তপন সিংহ জানান।

বার চান্দুরা গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে দিনমজুর ছাবু মিয়ার স্ত্রীর সাথে আসামিদের একজনের পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। এর জেরে ২০০৯ সালের ১৩ এপ্রিল ছাবুকে হত্যা করে লাশ জঙ্গলে ফেলে রাখা হয়। এ ঘটনায় ছাবু মিয়ার ভাই হাফিজ মিয়া তিনজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন।  একই বছরের ২১ মে মাধবপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আলমগীর হোসেন পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। প্রায় ১৬ বছরে ধরে বিচার কাজে তের জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত রায় দিলেন। এ সময় আদালতে উপস্থিত মামলার বাদী হাফিজ মিয়া বলেন, ১৬ বছর অতিকষ্টে মামলা পরিচালনা করেছি। হত্যাকাণ্ডের শিকার আমার ভাই সহজ-সরল প্রকৃতির মানুষ ছিলেন আমি এ রায়ে সন্তুষ্ট হয়েছি।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park