শনিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২২, ০৭:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পিপিএল- ২০২২ এর চ্যাম্পিয়ন ৪১ তম ব্যাচ সুন্দরগঞ্জে দৈনিক করতোয়ার ৪৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত   রাজাপুরে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ হবিগঞ্জে মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে ফুঁসে উঠেছে চা-শ্রমিকরা থেকে অনির্দিষ্ট কালের কর্মবিরতি। কটিয়াদীতে নববধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার ঝালকাঠিতে বঙ্গবন্ধু কাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে মাধবপুরে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যুবককে কুপিয়ে হত্যা কুয়াকাটায় বাস ড্রাইভারকে ১০ হাজার টাকা জরিমান। নিপা অপহরণ ও হত্যার চেষ্টা মামলার আসামিদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সুন্দরগঞ্জে ছাদ বাগান  উদ্বোধনে জেলা প্রশাসক..

পাট জাগ দেওয়া ও ধোয়ায় ব্যস্ত সময় পার করছেন সিরাজগঞ্জের পাট চাষীরা

মোহাম্মদ আলী স্বপন
  • প্রকাশ রবিবার, ৩১ জুলাই, ২০২২
  • ২৭ বার-পাঠিত

সিরাজগঞ্জে পাট কাটা, জাগ দেওয়া, আঁশ ছাড়িয়ে পাট ধোয়া এবং শুকানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষিরা। এ বছর পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়ায় সময়মতো পাট কেটে বিভিন্ন জলাশয়ে জাগ দিতে না পারলেও কয়েকদিন আগে ভারি বৃষ্টি হওয়ায় বিভিন্ন জলাশয়ে পানি জমে। সেই পানিতেই এখন পাট জাগ ও ধোয়ার কাজে ব্যস্ত সময় পার তারা।

সরেজমিনে জানা গেছে, পাট চাষের শুরুতে বৃষ্টিপাত কম থাকায় জেলার অনেক স্থানে চাষ কিছুটা দেরিতে শুরু হলেও ফলন ভালো হয়েছে। এতে কৃষকরাও খুশি। জেলার বিভিন্ন এলাকায় চাষিরা স্থানভেদে পাট কেটে নদী, নালা, খাল, বিল ও ডোবায় জাগ দেওয়া, পাট ধোয়া এবং হাটে-বাজারে বিক্রিসহ সব মিলিয়ে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। আবার কোথাও কোথাও দেখা গেছে, নারী-পুরুষের অংশগ্রহণে পাট ছাড়ানোর কাজ চলছে।

কামারখন্দ উপজেলার রসুলপুর গ্রামের পাটচাষী আব্দুল জলিল বলেন, এক বিঘা জমিতে পাট চাষ করতে খরচ হয়েছে সাড়ে ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা। এরমধ্যে জমি চাষ, বীজের দাম, বীজ বপন, সার, কীটনাশক ও পরিচর্যার খরচ থাকে। আর পাট কাটা ও ধোয়ায় খরচ পড়ছে বিঘায় ৩-৪ হাজার টাকা। এ বছর পাটের দাম ভালো থাকায় আমরা লাভবান হয়েছি।

হুড়াসাগর নদীর পানিতে পাট ধোয়ার কাজ করেন খালেক বলেন, পাটের আঁশ ছাড়ানো ও ধোয়ার জন্য এক বেলা খাবারসহ দৈনিক ৪০০ টাকা পাই।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক বাবুল কুমার সূত্রধর বলেন, এ বছর জেলার ৯ টি উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে পাট চাষ হয়েছে।

তিনি বলেন, ৯ উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৬,৮৪০ হেক্টর জমিতে পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও বন্যার কারণে অর্জিত হয়েছে ১২,৩৬৪ হেক্টর জমিতে। এরমধ্যে তোষা পাট ১১,৭৭০ হেক্টর, মেস্তা পাট ৫৩৫ হেক্টর, দেশি পাট ১০৫০ হেক্টর, কেনাপ পাট ৩,৩৮৫ হেক্টর।

তিনি আরও বলেন, যমুনা তীরবর্তী ৫ টি উপজেলা সহ চলনবিল অধ্যুষিতসহ তাড়াশ ও অন্যান্য উপজেলায় পাট জাগ দেওয়ায় কোনো সমস্যা হয়নি। কিছু কিছু এলাকায় পানির অভাবে কিছু সমস্যা হলেও রিবন রেটিং পদ্ধতিতে পাট পচানো হচ্ছে। এই পদ্ধতিতে কৃষকদের অর্থ সাশ্রয় হচ্ছে।

দেশেরকথা/বাংলাদেশ

এই বিভাগের আরো খবর

ফেসবুকে আমরা

এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২১ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
Theme Customized By Theme Park BD