1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanhrd74@gmail.com : desher kotha : desher kotha
ছয় জেলার ১৪৪ কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তাকে পুরস্কার দিলো ডিএই - দৈনিক দেশেরকথা
রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ০৬:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কিশোরগঞ্জে থাই গেম ও  ভিসা   প্রতারকচক্রের ৫ সদস্য আটক  গলাচিপায় কবর ঘিরে মাজার বাণিজ্য,করা হচ্ছে জটিল ও কঠিন রোগের চিকিৎসা শাহীকে ঈদুল আজহায় ৪ লাখ টাকায় বেচতে চান মুকুল মিয়া  কিশারগঞ্জ থাই ও ভিসা প্রতারণার অভিযােগে  ৩ যুবক কারাগারে কুয়াকাটা সৈকতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান লিফলেট বিতরণ গরমে কদর বাড়ায় নলডাঙ্গায় তালের শাঁস বিক্রিতে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক সদরপুরে জমি ও গৃহ হস্তান্তর কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস আজ স্বাস্থ্য পরীক্ষায় সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়লেন ওবায়দুল কাদের আজ সারা দেশে ভূমিহীন আরও ১৮ হাজার ৫৬৬টি বাড়ি হস্তান্তর করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ছয় জেলার ১৪৪ কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তাকে পুরস্কার দিলো ডিএই

মো. জাহিদ হাসান
  • প্রকাশ মঙ্গলবার, ২৮ মে, ২০২৪

 160 বার পঠিত

মঙ্গলবার (২৮ মে) সকাল ১১টায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সৈয়দ নজরুল ইসলাম অডিটোরিয়ামে কৃষক পুরস্কার বিতরণ ২০২৪ ও “আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে আউশ ধান আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে করণীয়” শীর্ষক এক কর্মশালায় ওই পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের ফসলের নিবিড়তা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্পের আওতাভুক্ত ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর, টাঙ্গাইল, কিশোরগঞ্জ ও নেত্রকোণা জেলার প্রতিটিতে তিন বিভাগেই ১ জন প্রথম , ২ জন দ্বিতীয় ও ৫ জন করে যৌথভাবে তৃতীয় পুরস্কার পেয়েছেন। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কৃষিবিদ বাদল চন্দ্র বিশ্বাস পুরস্কার তুলে দেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বাংলাদেশে বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের যথেষ্ট প্রভাব থাকলেও ডিএই মাঠ পর্যায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করছে। আমাদের দেশের কৃষকেরা আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারে সচেতন হচ্ছেন। এর ফলে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি ফলনও ভালো হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাকৃবির মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এম.এম.আর জাহাঙ্গীর।

কৃষি জমির পরিমাণ ও মাটির উর্বরতা কমে যাওয়ায় খাদ্য উৎপাদন একটি চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে ড. জাহাঙ্গীর বলেন, ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী খাদ্য চাহিদা মেটাতে কৃষি উৎপাদন ৬০ শতাংশ বাড়াতে হবে। আধুনিক পদ্ধতিতে জমিতে সেচ দেয়া, বছরের পর বছর একই চাষ না করা, জমিতে চাষ কম দেয়া ও ফসলের উচ্ছিষ্ট জমিতে ফেলে রাখার মাধ্যমে জমির উর্বরতা ও ফলন বাড়ানো সম্ভব।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধিতে নানা বিষয় আলোচনা করা হয় এবং প্রকল্পের আওতাভুক্ত ছয়টি জেলার কৃষি উৎপাদনের চিত্র তুলে ধরা হয়। তাছাড়া বস্তায় আদা চাষ ও পলিনেট হাউজের ব্যবহার ও উপকারিতা কৃষকদের মাঝে তুলে ধরা হয়।

ডিএই’র ময়মনসিংহ অঞ্চলের ভারপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ সালমা আক্তারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের ফসলের নিবিড়তা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্পের পরিচালক কৃষিবিদ মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান।

দেশেরকথা/বাংলাদেশ

এই বিভাগের আরো খবর

ফেসবুকে আমরা

এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২২-২০২৩ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park