বৃহস্পতিবার, ০৭ জুলাই ২০২২, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জামালপুর রেজাল্ট নিয়ে বাড়ি ফেরা হলোনা সমৃদ্ধির কিশোরগঞ্জে টুংটাং শব্দে সরগরম হয়ে উঠেছে কামারপল্লী ফের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের কোনো পরিকল্পনা নেই ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীর কন্যাকে কটুক্তি করা সেই যুবক রনি রিমাণ্ডে সুন্দরগঞ্জে মাদক দ্রব্য রোধকল্পে কর্মশালা পিরোজপুরে ৬ জন সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীদের শুদ্ধাচার পুরস্কারের চেক তুলে দেন জেলা প্রশাসন মোহাম্মদ জাহেদুর রহমান পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার ভিজিএফের চাল বিতরণ মতলব উত্তরে মহিলা যুবলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটা র‍্যালি ও আলোচনা সভা রেওলয়েতে আউটসোর্সিংয়ে জনবল নিয়োগের প্রতিবাদে ঈশ্বরদীতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন পাবনার ঈশ্বরদীতে ‘পাগলা রাজা’ বিক্রি নিয়ে দুশ্চিন্তায় রেজাউল

গাড়ি ভাংচুরের ভিডিও করায় সাংবাদিককে মারধর

দেশেরকথা
  • প্রকাশ সোমবার, ২৮ মার্চ, ২০২২
  • ২৭ বার-পাঠিত

বাকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) ২৬ মার্চের বিভিন্ন ঘটনার সিসি টিভি ফুটেজ দেখতে চাওয়া নিয়ে ছাত্রলীগের একপক্ষ রাস্তা অবরোধ ও গাড়ি ভাংচুর করে। এসময় পেশাগত দায়িত্ব পালন করার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সাংবাদিকের ফোন কেড়ে নিয়ে মারধর করে ছাত্রলীগের কয়েকজন উচ্ছৃঙ্খল নেতাকর্মী। আহত সাংবাদিক ময়মনসিংহ লাইভ অনলাইন পোর্টালে কর্মরত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি ওমর আসিফ। সোমবার বিকাল সোয়া ৫ টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেডিয়াম সংলগ্ন নিরাপত্তা শাখার সামনে ওই ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষ্যদর্শী সূত্রে জানা যায়, ২৬ মার্চের ছাত্রী লাঞ্ছনার ঘটনার সিসি টিভি ফুটেজ চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখায় বিক্ষোভ করে ছাত্রলীগের একপক্ষ। তারা বাকৃবির হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হল, ফজলুল হক হল, শামসুল হক হল ও ঈশা খাঁ হলের ছাত্রলীগের নেতাকর্মী। বিক্ষোভের একপর্যায়ে নিরাপত্তা শাখার উভয় পাশের রাস্তা বন্ধ করে দেন আন্দোলনকারীরা। ওই সময় একটি প্রাইভেট কার ভাংচুর করা হয় এবং ড্রাইভারসহ গাড়ির যাত্রীদের মারধর করা হয়। গাড়ি ভাংচুরের ভিডিও ধারণ করতে গেলে ময়মনসিংহ লাইভ অনলাইন পোর্টালে কর্মরত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি ওমর আসিফের উপর চড়াও হয় শামসুল হক হল ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি শাহীন সুমনসহ আরও কয়েকজন। এসময় তারা কিল ঘুষি মারতে থাকে সাংবাদিক আসিফকে। মারধরের সময় তার ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয় এবং অকথ্য ভাষায় তাকে গালিগালাজ করা হয়। পরে আহত ওমর আসিফকে বিশ্ববিদ্যালয়ের হেলথ কেয়ার সেন্টারে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

ঘটনাস্থলে বাকৃবি রিসার্চ সিস্টেমের (বাউরেস) পরিচালক অধ্যাপক ড. আবু হাদী নূর আলী খান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মহির উদ্দীন, সহকারী প্রক্টর ড. মো. শফিকুল ইসলাম ও ড. মো. রিজওয়ানুল হক উপস্থিত ছিলেন।

পরে সন্ধ্যার দিকে সাংবাদিক ওমর আসিফের উপর হামলার ঘটনায় ওই হলগুলোর বাকৃবি শাখা ছাত্রলীগের পদপ্রত্যাশী নেতা ইমতিয়াজ আবির, আবু রায়হান মিথুন, সজীব চন্দ্র সরকার, নিলয় মজুমদার ও মিফতাহ সাংবাদিকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ ও ক্ষমা চান। ওই আন্দোলন ও ভাংচুরের সাথে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা ন্ইে বলে জানান।

আহত সাংবাদিক ওমর আসিফ বলেন, ‘ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা গাড়ি ভাংচুরের সময় পেশাগত দায়িত্ব পালন করছিলাম। এসময় শামসুল হক হল ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি শাহীন সুমনসহ আরও কয়েকজন আমার উপর হামলা করে। আমি এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাই ও সুষ্ঠু বিচার চাই।’

তবে অভিযুক্ত শাহীন সুমন বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি আন্দোলনে উপস্থিত ছিলাম। কিন্তু আমি কারো গায়ে হাত তুলিনি।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মহির উদ্দীন বলেন, ‘এ ঘটনায় আমি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। আমি এর বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব।

দেশেরকথা/বাংলাদেশ

এই বিভাগের আরো খবর

ফেসবুকে আমরা

এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২১ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
Theme Customized By Theme Park BD