বৃহস্পতিবার, ০৭ জুলাই ২০২২, ০৯:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জামালপুর রেজাল্ট নিয়ে বাড়ি ফেরা হলোনা সমৃদ্ধির কিশোরগঞ্জে টুংটাং শব্দে সরগরম হয়ে উঠেছে কামারপল্লী ফের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের কোনো পরিকল্পনা নেই ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীর কন্যাকে কটুক্তি করা সেই যুবক রনি রিমাণ্ডে সুন্দরগঞ্জে মাদক দ্রব্য রোধকল্পে কর্মশালা পিরোজপুরে ৬ জন সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীদের শুদ্ধাচার পুরস্কারের চেক তুলে দেন জেলা প্রশাসন মোহাম্মদ জাহেদুর রহমান পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার ভিজিএফের চাল বিতরণ মতলব উত্তরে মহিলা যুবলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটা র‍্যালি ও আলোচনা সভা রেওলয়েতে আউটসোর্সিংয়ে জনবল নিয়োগের প্রতিবাদে ঈশ্বরদীতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন পাবনার ঈশ্বরদীতে ‘পাগলা রাজা’ বিক্রি নিয়ে দুশ্চিন্তায় রেজাউল

কিশোরগঞ্জে হারিয়ে যাচ্ছে  ঠাঠারী পেশার কারিগর 

আনোয়ার হোসেন
  • প্রকাশ মঙ্গলবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ৪৮ বার-পাঠিত
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি>স্টিল-মেলামাইন প্লাস্টিকের  তৈজস পত্রের ভিড়ে হারিয়ে যাচ্ছে অ্যালুমিনিয়াম, স্টিল,সিলভারের হাড়ি,পাতিল, টিনের তৈরি বালতি,হারিকেন,ল্যাম্প(কুপি),,ড্রাম।  সেই সাথে হারিয়ে যাচ্ছে পুরনো তৈজসপত্র মেরামতের ঠাঠারী  কারিগররা।আধুনিকতার ছোঁয়ায় ক্ষুদ্র ঠাঠারী শিল্পটিও আজ বিলুপ্তপ্রায়। এ শিল্পের  তৈজস পত্রের স্থান দখল করে নিয়েছে হরেক রকম কোম্পানির নান্দনিক সব তৈজসপত্র ।এক সময় কামার শিল্পের আদলে গড়ে উঠা  পুরনো তৈজসপত্র মেরামতের কারিগরদের কদর ছিল ব্যাপক।
এসব কারিগররা  গ্রাম-গঞ্জে ঘুরে  রাস্তার মোড়ে বসে  ভাতির হাওয়া, হাতে লম্বা  লোহার সিজার (কাচি), সিসার আং পাইন, আর  টুংটাং শব্দে জেড়াতালি দিয়ে  মেরামত করত পুরনো  হাড়ি,পাতিল,ঢাকনা, বালতি,জগ।  এ পেশায় সম্পৃক্ত থেকে অনেকেই সংসারও চালাত। এখন  নিপুণ হাতের  কারিগররা রোজগার জীবনের রসদ খুঁজে না পাওয়ায় অনেকে এ পেশা ছেড়ে দিয়েছেন।
কদাচিৎ দেখা মিললেও এর মধ্যে এ কারিগরের দেখা মেলে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলা শহরের হাটে। কারিগর সিরাজুল সদর ইউপি’র মুশা হাজি পাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি জানান, একটা সময় গৃহস্থলী পরিবারের  পুরনো জিনিষপত্র যেমন-হারিকেন,ল্যাম্প(কুপি),জগ,বালতি,ড্রামের ভাঙ্গা ফুটো (ছিদ্র) মেরামতের কাজ ছিল প্রচুর।
হাট- বাজারসহ গ্রামে গ্রামে ঘুরে এ সব  মেরামত করা হত। তখন আয় রোজগারও ভাল ছিল।সে দিন আজ শুধুই  স্মৃতি।সময়ের ব্যবধানে মানুষের  রুচির পরিবর্তন আসায়  মুলতঃ প্লাষ্টিকসহ বিভিন্ন ব্রান্ডের রাইস কুকার,কারিকুকার ও বৈদ্যুতিক বাতির ব্যবহার এসে এ পেশার ধ্বস নেমেছে। অন্য কাজ জানা না থাকায়, বাধ্য হয়ে ৪০ বছর ধরে কোন রকমে এ পেশায় চলে জীবিকা।
কিশোরগঞ্জ হাটে  পুরনো  বালতি মেরামত করতে আসা মোখলেছার রহমান জানান,আর আগের মত এদের পেশা নেই।সবাই এখন প্লাষ্টিক সামগ্রি ব্যবহারে অভ্যস্থ হয়ে পড়েছে। একসময় গ্রাম-গঞ্জে  এসব কারিগরদের  বিচরণও ছিল চোখে পড়ার মত। এখন আর তেমন চোখে পড়েনা।

দেশেরকথা/বাংলাদেশ

এই বিভাগের আরো খবর

ফেসবুকে আমরা

এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২১ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
Theme Customized By Theme Park BD