1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
কিশোরগঞ্জে খরার কবলে রোপা আমন ক্ষেত- বিপাকে কৃষক – দৈনিক দেশেরকথা
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
হরমুজ প্রণালিতে ইরানের টোল প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল উপসাগরীয় ৬ দেশ বিমানের বহর সম্প্রসারণে ১৪টি বোয়িং কিনছে সরকার, বৃহস্পতিবার বড় চুক্তি সই শ্রীপুরে পানিবন্দী ২০ পরিবারকে রক্ষায় এগিয়ে এলেন বিএনপি নেতা মোশারফ হোসেন সরকার কিশোরগঞ্জে ভিসা প্রলোভনে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ আকাশের বিরুদ্ধে  সংরক্ষিত নারী আসনে ৪৯ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত, গেজেট প্রকাশ বৃহস্পতিবার প্রয়োজন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি, ভূবনেশ্বর নদের মধ্যে তৈরি হচ্ছে পাকা স্থাপনা এনআইডি আবেদনে এসএসসি সনদ আপলোড বাধ্যতামূলক করল নির্বাচন কমিশন স্বাক্ষর জালিয়াতি করে তেল উঠানোর সময়  দুই যুবকের জরিমানা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের কৃষিমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ, কৃষি সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হাম প্রতিরোধে বাংলাদেশকে ১ লাখ ৭৫ হাজার ইউরো সহায়তা দেবে ইইউ

কিশোরগঞ্জে খরার কবলে রোপা আমন ক্ষেত- বিপাকে কৃষক

আনোয়ার হোসেন
  • প্রকাশ শনিবার, ২০ আগস্ট, ২০২২

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি>অনাবৃষ্টি খরা প্রখর রোদের কবলে পড়ে সদ্য রোপণকৃত রোপা আমন ক্ষেত বিবর্ন রঙ ধারণসহ ফেটে চৌচির হচ্ছে। এতে বিপাকে পড়েছেন নীলফামারীর কিশোরগঞ্জের কৃষক।

তারা বলছেন, এসময় ক্ষেতে পানি থাকা দরকার। কিন্ত পানি না থাকায় চারা রক্ষায় ২/১ দিন পর স্যালো মেশিন,বৈদ্যুতিক পাম্প বসিয়ে ধান ক্ষেতে সেচ দেয়া হচ্ছে। তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় ঘন ঘন সেচ দেয়াও অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

এতে ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে আমন চাষ করা হচ্ছে। এ বছর আমন চাষ যেন মড়ার উপর খাড়ার ঘাঁ হয়ে দাড়িয়েছে।চলতি বছর ১৪ হাজার ৮৭০ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন নিচু ধানী বিল এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বৃষ্টির অপেক্ষায় থেকে এসব মাঠের চারা রোপণ পিছিয়ে পড়ে। মাস খানেক আগে খানিকটা বৃষ্টির হলে ,এসব জমিতে কৃষক আমনের চারা রোপণ করেন।

এরপর পানির অভাবে মাঠের পর মাঠ আমন ক্ষেত ফেঠে চৌচিরসহ হলুদ রং ধারণ করেছে।পাশাপাশি উচু জমিতে সম্পূরক সেচের মাধ্যমে চাষকৃত আগাম জাতের আমন ধানের শীষ বের হচ্ছে।

তেল ও ইউরিয়া সারের দাম বেড়ে যাওয়ায় এ সব জমিতে ৩থেকে৪ বার সেচ ,সার দিতে গিয়ে কৃষক/বর্গাচাষির নাভিশ্বাস দশা এমনটাই জানান,বাহাগিলী ইউপির উত্তর দুরাকুটি পশ্চিম পাড়ার গ্রামের বর্গাচাষি জেনারুল ইসলাম।

চাঁদখানা ইউপির সরঞ্চাবাড়ি গ্রামের বর্গাচাষি কেদার বর্মন বলেন, টাকার অভাবে ক্ষেতে পানি দিতে না পারায় ফেটে চৌচির হয়ে গেছে। কমে গেছে চারার বাড়ন্ত। ধান না হইলে বাঁচার উপায় থাকবেনা।

এমন চিন্তায় মাথায় হাত দিয়ে ক্ষেতে মুষড়ে পড়েন তিনি। মাগুড়া ইউপির হঠাৎ পাড়া গ্রামের জামেনুর ও গাড়াগ্রাম ইউপির গাড়াগ্রাম দক্ষিন পাড়া গ্রামের কৃষক আজিজার রহমান জানান,বৃষ্টির উপর নির্ভর করে প্রতি বছর আমন চাষ করা হয়। কিন্ত এ বছর ভিন্ন চিত্র। বৃষ্টির অপেক্ষায় থেকে চারা রোপণ পিছিয়েছে । বিভিন্ন উপায়ে চারা রোপণ করলেও অনাবৃষ্টিকারণে জমি ফেটে যাচ্ছে। একদিকে তেল,ইউরিয়ার দাম বেড়েছে। এতে সেচ দেওয়ার অতিরিক্ত খরচ যোগাতে গিয়ে হিমশিম অবস্থা। কিছু দিন আগে ঘন্টা দরে সেচে টাকা লাগত ৮০ থেকে ৯০ টাকা।এখন লাগছে ১৫০টাকা।একবার স্যালো মেশিন ,বৈদ্যুতিক পাম্পে ১ বিঘা আমন ক্ষেতে সেচ দিত খরচ হচ্ছে ৭৫০টাকা। বৃষ্টি না হলে এভাবে সেচ দিয়ে ফসল রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে।
উপজেলা কৃষি অফিসার হাবিবুর রহমান বলেন,বৈরি আবহাওয়ায় এমন হচ্ছে। কৃষক বিভিন্ন উপায়ে পানি দিচ্ছে। তবে বৃষ্টির পূর্বাভাস দেখা যাচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে ২/১ দিনের মধ্যে বৃষ্টি নামবে। তাপদাহ মোকাবেলা করে আমন চাষে মাঠ পযায়ে উপ-সহকারী কৃষিকর্মকর্তাগণ কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছে।

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park