1. admin@daynikdesherkotha.com : Desher Kotha : Daynik DesherKotha
  2. arifkhanjkt74@gamil.com : arif khanh : arif khanh
আলমডাঙ্গায় সেতু আছে, রাস্তা নেই! ৫৭ লাখ টাকার প্রকল্পে নজিরবিহীন অব্যবস্থাপনা – দৈনিক দেশেরকথা
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০১:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সংসদ অধিবেশনে এমপির খাওয়াদাওয়ায় স্পিকারের ক্ষোভ কনটেন্ট ক্রিয়েটর হাসান নাসিমের জামিন মঞ্জুর ফতুল্লায় ফ্ল্যাটে অভিযান, ৩২০০ পিস ইয়াবা জব্দ; নারী পলাতক নারায়ণগঞ্জে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল নিয়োগ কার্যক্রমের প্রথম দিনের পরীক্ষা সম্পন্ন সাবেক প্রসিকিউটর সাইমুম রেজার বিরুদ্ধে কোটি টাকা ঘুষ দাবির প্রমাণ মিলেছে সরকারি সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত পুরোনো ভাড়াই বহাল থাকবে বাসে সংরক্ষিত আসনের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলেন তাসনিম জারা অফিস পেয়ে গাড়ি চাইলেন হাসনাত, ছোটদের ‘না’ না বলতে পরামর্শ বিরোধীদলীয় নেতার আলমডাঙ্গায় সেতু আছে, রাস্তা নেই! ৫৭ লাখ টাকার প্রকল্পে নজিরবিহীন অব্যবস্থাপনা বেগমগঞ্জে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে জামায়াত নেতা মাওলানা বোরহান উদ্দিন

আলমডাঙ্গায় সেতু আছে, রাস্তা নেই! ৫৭ লাখ টাকার প্রকল্পে নজিরবিহীন অব্যবস্থাপনা

আল- আমিন হোসেন
  • প্রকাশ মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার কুমার নদের ওপর নির্মিত প্রায় ৫৭ লাখ টাকার সেতুটি ১০বছর  পেরিয়ে গেলেও  জনসাধারণের কোনো কাজে আসেনি। সংযোগ সড়ক না থাকায় সেতুটি এখন পরিণত হয়েছে গরুর গোবর শুকানোর জায়গায়—যা প্রকল্প বাস্তবায়নে চরম অব্যবস্থাপনা ও দায়িত্বহীনতার নগ্ন উদাহরণ হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।

জানা গেছে  কালিদাসপুর ইউনিয়নের আসাননগর ও বকশিপুর গ্রামের সংযোগ স্থাপনের উদ্দেশ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আওতায় ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে ৬০ মিটার দৈর্ঘ্যের এ সেতুটি নির্মাণ করা হয়। ব্যয় হয় প্রায় ৫৬ লাখ ৮৯ হাজার টাকা। কিন্তু অবাক করার মতো বিষয়—সেতুর দুই প্রান্তে আজও নির্মিত হয়নি সংযোগ সড়ক। ফলে কোটি টাকার কাছাকাছি এই অবকাঠামো পড়ে আছে সম্পূর্ণ অকার্যকর অবস্থায়।

 আসাননগর গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা শিলু মিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এটা শুধু একটা সেতু না, এটা তিনটি গ্রামের সংযোগস্থল। এই রাস্তা হলে ১০ গ্রামের মানুষ উপকৃত হতো, এমনকি কুষ্টিয়ার মানুষও এ পথে চলাচল করতে পারতো। অথচ এখন এটা মানুষ না, গরুর কাজে লাগছে!”

বকশিপুর গ্রামের বাসিন্দা আশরাফুল বলেন, সংযোগ রাস্তাটি হয়ে গেলে আলমডাঙ্গার সাথে যোগাযোগ ২০মিনিটের সময় ৫মিনিটে হয়ে যাবে। 

এদিকে এলাকাবাসীর অভিযোগ, পরিকল্পনার অভাব ও প্রশাসনিক উদাসীনতায় একটি সম্ভাবনাময় প্রকল্প আজ পরিণত হয়েছে জনদুর্ভোগের প্রতীকে। দীর্ঘ ১০ বছরেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় মানুষের মধ্যে চরম হতাশা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

কালিদাসপুর ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুল হক মিকা দায় এড়িয়ে বলেন, “বিষয়টি আগেও বহুবার জানানো হয়েছে। বরাদ্দ না থাকলে তো রাস্তা করা সম্ভব নয়।”

অন্যদিকে আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার পান্না আকতার বলেন, “সেতুটি সম্পর্কে আগে জানা ছিল না। সম্প্রতি বিষয়টি জেনেছি। দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য প্রকল্প নেওয়া হবে।”

তবে প্রশ্ন থেকেই যায়—১০ বছর ধরে একটি সরকারি সেতু অব্যবহৃত পড়ে থাকার দায় কে নেবে? আর কতদিন অপেক্ষা করলে এই ‘মৃত সেতু’ প্রাণ ফিরে পাবে?

এলাকাবাসীর  দাবি, অবিলম্বে এই সেতুটিতে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে জনগণের টাকায় নির্মিত এই সেতুকে চলাচলের উপযোগী করা হোক

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
এই সাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।কপিরাইট @২০২০-২০২৫ দৈনিক দেশেরকথা কর্তৃক সংরক্ষিত।
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park