বরিশাল প্রতিনিধি : জুলাই মাসে বরিশালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ওপর হামলার ঘটনায় প্রায় নয় মাস পর মামলা দায়ের হয়েছে। তবে মামলাটিকে ঘিরে উঠেছে চাঁদাবাজির অভিযোগ। এ মামলায় সংগঠনের নাম ব্যবহার করে ব্যক্তিগতভাবে পদক্ষেপ নেওয়ার অভিযোগে বরিশাল জেলা শাখার যুগ্ম সদস্য সচিব মারজুক আবদুল্লাহকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
রোববার (১৮ মে) সংগঠনের জেলা মুখপাত্র সুমি হক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
গত ১৪ মে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলাটি এজাহারভুক্ত হয়। এতে নাম উল্লেখ করে আসামি করা হয়েছে ২৪৭ জনকে এবং অজ্ঞাতনামা প্রায় ৩০০ জনকে। মামলার তালিকায় বরিশাল মহানগর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা ছাড়াও ঝালকাঠির কয়েকজন জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও রয়েছেন।
এছাড়া দিপ্ত টিভির বরিশাল বিভাগীয় প্রতিনিধি মর্তুজা জুয়েলসহ কয়েকজন সাংবাদিক, কৃষক ও জেলেকেও মামলায় আসামি করা হয়েছে। তবে আসামির তালিকায় নাম রাখা ও বাদ দেওয়া নিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। যদিও এ বিষয়ে সংগঠনের হাতে এখনো কোনো প্রমাণ আসেনি বলে জানানো হয়।

শোকজ নোটিশে বলা হয়, সংগঠনের দায়িত্বশীলদের না জানিয়ে এবং অনুমতি না নিয়েই সংগঠনের পদ ব্যবহার করে মামলা দায়ের করা হয়েছে, যা শৃঙ্খলাভঙ্গের শামিল। মারজুক আবদুল্লাহকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উপস্থিত হয়ে বিষয়টির ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জেলা মুখপাত্র সুমি হক বলেন, “আমরা বিষয়টি নিয়ে গতকাল বিকেলে বৈঠক করেছি। সেখানে দেখা গেছে, মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে রাজনৈতিক নেতা যেমন রয়েছেন, তেমনি সাধারণ কৃষক ও জেলেরাও রয়েছেন। তবে চাঁদাবাজির যে অভিযোগ উঠেছে, সেটির সুনির্দিষ্ট প্রমাণ এখনো আমাদের হাতে আসেনি।”